'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরুস্কার’ পেলেন বিশ্বনাথের জাবের

'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরুস্কার’ পেলেন বিশ্বনাথের জাবের

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার জাবের হোসেনকে কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ উপজেলার সফল চাষী হিসাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৪ লাভ করেন। তিনি উপজেলার দেওকলস ইউনিয়ন’র আলাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কৃষি সেক্টরে একজন সফল উদ্যোক্তা।

রোববার ২৭ জুন মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের মহেন্দ্রক্ষণে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৪ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কৃষিক্ষেত্রে অবদান রাখায় ১০ ক্যাটাগরিতে ৩২ জনকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। এসময় সকাল ১০টায় ওসমানী স্মৃতি আন্তর্জাতিক মিলনায়তনে বাণিজ্যিকভিত্তিক খামার স্থাপন ক্যাটাগরিতে, কৃষি মন্ত্রী ডা. মো. আবদুর রাজ্জাক এমপি’র কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন জাবের হোসেন।

ছোটকাল থেকেই দেশ সেবার স্বপ্ন ছিল তার। সে লক্ষ্যে প্রবল ইচ্ছে ছিলো সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার। ব্যক্তি জীবনে লেখা-পড়া বেশি দূর না এগুলে আলোর মুখ দেখেনি সে স্বপ্ন। তবুও থেমে থাকেননি তিনি।

পরিবার-পরিজনের ইচ্ছে যুক্তরাজ্য যাত্রা উপেক্ষা করে স্বীয় প্রচেষ্টায় নিজেকে কৃষি ক্ষেত্রে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্টিত করেন। তিনি প্রথমে ১ বিঘা জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তা খামারে বিস্তৃতি ঘটান। বর্তমানে তার খামারের আয়তন ৩.৬৪ হেক্টর।

‘মেসার্স মা এগ্রো’ নামে প্রতিষ্ঠিত তার খামারের ক্যাপসিকাম, নাগা মরিচ, ব্রোকলি, টমেটো, বেগুন, ডাব বেগুন, লতিরাজ কচু, সূর্যমুখি, বাঁধাকপি, কাচা মরিচ, গম, ভূট্টা, আলু, মুলা ও কলা চাষ করে গেল ২০১৭-১৮ অর্থবছরে নিট ২৭ লক্ষ্য টাকা আয় করেন। খামারে নিয়মিত কর্মসংস্থান দেন এলাকার বেকার যুবকদের।

এছাড়া তার পরামর্শ, প্রেরণা ও সাফল্যে উদ্বুব্ধ হয়ে উপজেলার অনেকেই কৃষি খামার স্থপনে বাণিজ্যিক ভাবে সফল হয়েছেন। বর্তমানে আধুনিক সকল কৃষি যন্ত্রপাতির উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে তা দক্ষ ভাবে নিজে ব্যহহার করার পাশাপাশি অন্যদেরও প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন তিনি।

সফল চাষী জাবের হোসেন সাংবদিকদের বলেন, আমার প্রচেষ্টা ছিল কোন না কোন ভাবে দেশের উন্নয়নে অবধান রাখার। সকলের সার্বিক সহায়তায় ‘কৃষি’র মাধ্যমে সে ইচ্ছে আমার বাস্তবায়িত হয়েছে। আগামীতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password