এবার ভারতকে হুমকি দিয়েছে আল কায়েদা ও টিটিপিও

এবার ভারতকে হুমকি দিয়েছে আল কায়েদা ও টিটিপিও

এবার ভারতের চার রাজ্যে আত্মঘাতী হামলার হুমকি দিয়েছে আল-কায়েদা ও টিটিপিও । নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর অপমানের প্রতিশোধ নিতে ভারতীয় শহর ও রাজ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি দিয়েছে আল কায়েদা। পাকিস্তান ভিত্তিক টিটিপিও নবীর অবমাননা নিয়ে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এক বিবৃতিতে আল কায়েদা জানিয়েছে, নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় ভারতের চার রাজ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলা করা হবে। রাজ্যগুলো হলো মুম্বাই, দিল্লি, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশ। 

চিঠিতে আল কায়েদা লিখেছে, এটি পয়গম্বরের সম্মান রক্ষার্থে লড়াই। যারা আমাদের নবীকে অপমান করে তাদের আমরা শেষ করে দেব। তাদের উড়িয়ে দিতে আমাদের বা আমাদের সন্তানদের দেহের সঙ্গে বিস্ফোরক বেঁধে দেব। দিল্লি, মুম্বাই, গুজরাট এবং উত্তরপ্রদেশে গেরুয়া সন্ত্রাসবাদীরা তাদের শেষ দেখার জন্য অপেক্ষা করুক। মহানবীকে নিয়ে বিজেপি মুখপাত্র নূপুর শর্মা এবং দলের দিল্লি শাখার মিডিয়া প্রধান নভিন কুমার জিন্দালের বিতর্কিত মন্তব্যের জের ধরে এর উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র আরব বিশ্বে।

এতে কূটনৈতিক সংকটে পড়েছে ভারত। এর মধ্যে নূপুর শর্মা এবং নবীনকুমার জিন্দালকে শাস্তি দিলেও বিতর্কের অবসান ঘটেনি। প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ভারতকে বয়কট করার হুমকি দিয়েছে কুয়েত। হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপি নেতা-নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে মোদি সরকার। এই পরিস্থিতিতে দেশে আল-কায়দার আত্মঘাতী হামলার হুমকি উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এর আগে: ইতিমধ্যেই আরব উপমহাদেশের একাধিক দেশের তরফে ওই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।

ডেকে পাঠিয়ে ক্ষোভের কথা জানানো হয়েছিল ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকেও। পরে নূপুর শর্মা (Nupur Sharma) তাঁর বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন। টুইটার থেকে তাঁর টুইট তুলেও নেন। যদিও তাতে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া যায়নি। সদ্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, বিজেপির (BJP) এই প্রাক্তন মুখপাত্রকে। পেশায় আইনজীবী নূপুর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন। লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে এলএলএম করা তাঁর। ২০১৫ সালে ভোটের ময়দানে নেমেছিলেন নূপুর শর্মা।

দিল্লি বিধানসভা ভোটে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে লড়াই করে হেরে যান তিনি। পরে বিজেপির মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। বিজেপির এই নেত্রীর মন্তব্যের পরেই দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়। ওই মন্তব্যের কারণেই উত্তরপ্রদেশে হিংসা ছড়ায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় একাধিক লোক জখম হয়েছেন। এরপরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে দল। পদ থেকে ছাঁটলেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ওই নেত্রীর।

মন্তব্যসমূহ (০)