মাশরুমের যতো গুনাগুন

কেউ বলে ব্যাঙের ছাতা, কেউ মাশরুম, আবার কেউ বলে ভূঁইছাতা, কোড়ক ছাতা, ছত্রাক, পলছত্রাক, ভুঁইছাতি, ছাতকুড় প্রভৃতি নামে পরিচিত। যে যেরকম নামেই ডাকুক, এ বড় অমূল্য সম্পদ। 

ঔষধি গুনাগুন : মাংসের মত পৌষ্টিক গুনযুক্ত, কামবর্ধক ও মৃদু বিরেচক। এই ছত্রাক থেকে নানাপ্রকার ভিটামিন, ঔষধ, বাণিজ্যিক দ্রব্যও তৈরী হয়।  

কোষ্ঠবদ্ধতায় : দু’একদিন অন্তর অন্তর দাস্ত হয়, মল গুটলে গুটলে, দাস্ত পরিস্কার হবার ঔষধ খেলে ২/১দিন ভাল হলো, তারপর যেইকে সেই, সেক্ষেত্রে ভাজা ছাতু আন্দাজ ২৫ গ্রাম মাত্রায় দিনে ২ বার করে ভাতের সঙ্গে বা অন্য যেকোন সময়ে ৫/৭ দিন খেলে ওটা চলে যায়। তবে মাঝে মাঝে খেয়ে রাখলে খুব ভাল হয়।

আমাশয় : সাদা আমাশা, কখনো শক্ত মলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে, দাস্ত পাতলা হলে তার সঙ্গে থোকা থোকা আমও পড়ে, এক্ষেত্রে ভাজা ছাতু বা ছাতা আন্দাজ ২৫ গ্রাম মাত্রায় নিয়ে দিনে ২ বার করে খেতে হবে। এটি ব্যবহারকালীণ আমাশা বৃদ্ধিকারক কোন দ্রব্য, যেমন পুঁইশাক, গুরুপাক দ্রব্য, অতিরিক্ত শাক বা তরকারী খাওয়া চলবে না। এভাবে নিয়ম মেনে ১০/১৫ দিন খেলে আমাশা চলে যায়। 

দৌর্বল্যে: রোগান্তিক দুর্বলতা অর্থাৎ কোন রোগভোগের পর দুর্বলতা বা অপুষ্টিজনিত দুর্বলতা যেটাই হোক না কেন, এ অবস্থায় ভাজা ছাতু ২৫ গ্রাম মাত্রায় দিনে ২ বার করে খেতে হবে। খাওয়ার পর এক কাপ করে গরম দুধ খাওয়া দরকার। মাসখানিক খেলে অবস্থার পরিবর্তন হবে। 

সন্তোগশক্তির স্বল্পতায় : এটি বার্ধক্যের শেষ এসে দেখা দিলে তখন অবশ্য করার কিছুই নাই। যৌবনে ও প্রৌঢ়াবস্থায় এই শক্তির অভাব হলে মানসিক অস্বাচ্ছন্দ্যবোধের জন্ম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ভাজা ছাতু বা ছাতা ২৫ গ্রাম মাত্রায় দিনে ২ বার করে কিছুদিন খেতে হবে। ২/৩ মাস খেলে চমৎকার কাজ হয়ে থাকে। দাঁতের মাড়িতে লাগালে মুখক্ষত ও অতিরিক্ত লালাস্রাব চলে যায়। রক্তবোধক হিসেবেও ব্যবহার্য। অতিসার ও আমাশাতে আভ্যন্তরীন ব্যবহার হয়ে থাকে। 

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন