ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহারে বাড়ছে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি

বৈশ্বিক মহামারিতে ঘরবন্দি দশায় অতি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে ভার্চুয়াল মাধ্যম। কিন্তু সচেতনভাবে ব্যবহার না করলে আশীর্বাদের বদলে এই ভার্চুয়াল মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে অভিশাপ। উচ্চ কী নিম্নবিত্ত, প্রযুক্তি এখন সবার জীবনেই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর প্রযুক্তি নির্ভর এ জীবনে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ইমো, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারের মতো মাধ্যমগুলো হয়ে উঠেছে পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান উপায়।

এসব মাধ্যমে শুধু পরিচিতদের সাথেই নয় যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে অপরিচিতদের সাথেও। আবেগের আতিশায্যে ভেসে কেউ কেউ বিনিময় করছেন ব্যক্তিগত তথ্য-উপাত্ত-ছবি। বিনিময়ে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হয়ে হচ্ছেন হেয় প্রতিপন্ন। খোয়াচ্ছেন অর্থকড়িও। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অভিযুক্তরা ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থাকছেন অধরা।

এ বছর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য জার্নাল অব ইন্টার পারেসোনাল ভায়োলেন্স বলছে, ২৮ দশমিক ২ শতাংশ উঠতি বয়সী তরুণ ভার্চুয়াল সম্পর্কে জড়িয়ে বিপদে পড়েছেন।

বিএমসি নামের আরেক জার্নাল বলছে, সুইজেনের ৩০ ভাগ উঠতি বয়সী এমন অপরাধীর চক্রে পড়েছেন। যাদের ধোঁকায় প্রতি ৫ জনের ভেতর একাধিক তিক্ততার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে এদেশে কতজন প্রতারিত হয়েছেন তার নেই কোনো সঠিক হিসাব।

এসব ঘটনা রুখতে ব্যক্তিগত সচেতনতার বিকল্প নেই বলেই মত আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও প্রযুক্তিবিদদের। ভার্চুয়াল মাধ্যমে কাউকেই কখনও বিশ্বাস না করারও পরামর্শ তাদের।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন