প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরকারী সেই দপ্তরিকে বহিষ্কার করা হয়েছে

আজ শুক্রবার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সালমা আক্তার, সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সবুজ মিয়া ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন। ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্ত দপ্তরি কাম নৈশ্য প্রহরী রাকিব খানের চাকরির চুক্তিনামা বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অপরাধে অভিযুক্ত দপ্তরি রাকিব খানকে চাকুরিচ্যূত (চুক্তিনামা বাতিল) করেছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

উপজেলার ১৫৬নম্বর বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানম বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সহকারি শিক্ষকদের নিয়ে বিভিন্ন ব্লকে পাঠদান শেষে দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়ে আসেন। কিন্তু অফিস ও শ্রেণি কক্ষের আসবাবপত্রে ধুলা জমে থাকায় প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা খানম বিদ্যালয়ের দপ্তরি রাকিব খানকে পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাকিব খান অশালীন ভাষায় গালাগাল শুরু করে। প্রতিবাদ করায় রাকিব খান ওই শিক্ষিকাকে মারধর করে।

এ ঘটনায় আজ শুক্রবার ভোরে বারইহাটি বটতলা এলাকা থেকে অভিযুক্ত রাকিব খানকে পাগলা থানা পুলিশ আটক করে।সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সবুজ মিয়া বলেন, সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ স্যারের নেতৃতে সরেজমিন তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত দপ্তরি কাম নৈশ্য প্রহরী রাকিব খানের চাকরির চুক্তিনামা বাতিল করা হয়েছে। এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হবে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password