শেষ ওভারে ৪ ছক্কা হাঁকিয়েও প্রাইম দোলেশ্বরের হার ঠেকাতে পারলেন না রাব্বি

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে প্রাইম দোলেশ্বরের কামরুল ইসলাম রাব্বি যেন কাইরন পোলার্ড বা এন্ড্রো রাসেল হয়ে গিয়েছিলেন । মুলত তার কাজ বোলিং হলেও এদিন যেন ব্যাট হাতেও দলের জয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তামিম ইকবালদের প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে শেষ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন ছিল প্রাইম দোলেশ্বরের।

রুবেল হোসেনের করা শেষ ওভারের প্রথম পাঁচ বলে ৪টি বিশাল ছয়ের মারে ২৬ রান নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন রাব্বি। কিন্তু শেষ বলে পাঁচ রানের চাহিদায় ১ রানের বেশি করতে পারেননি। যার ফলে প্রাইম ব্যাংকের কাছে ৩ রানে হেরে যায় দোলেশ্বর। ১৫২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৪৮ রানের থামে তাদের ইনিংস। ১২ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন রাব্বি।

চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে প্রাইম দোলেশ্বরের এটিই প্রথম পরাজয়। ১৫২ রানের টার্গেটে নেমে শুরুতেই ইমরান উজজামানের উইকেট হারিয়ে বসে দোলেশ্বর। এরপর সাইফ হাসান (১৩), মার্শাল আইয়ুব (২২), ফযলে রাব্বিরা (২১) উইকেটে সেট হয়ে ইনিংস লম্বা করতে না পারলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দোলেশ্বর। এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ধারাবাহিক পারপফর্ম করা শামিম হোসেনও আজকে ছিলেন ব্যার্থ।

আউট হয়ে গেছেন মাত্র ১ রান করে। এক পর্যায়ে ১১৮ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সেখান থেকে কামরুল ইসলাম রাব্বি একাই দলকে টেনে নিয়ে যায়। প্রাইম ব্যাংকের মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি উইকেট লাভ করেন। এছাড়া রুবেল হোসেন ও শরিফুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে সুবিধা করতে পারেনি প্রাইম ব্যাংক। দলীয় ১৯ রানের মাথায় হারিয়ে বসে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (৮) ও রনি তালুকদারকে (০)।

শুরুতে দুই ওপেনারকে হারিয়ে ধুকতে থাকা প্রাইম ব্যাংককে পথ দেখান অধিনায়ক বিজয় ও মিথুন। বিজয় ২৯ ও মিথুন ৫৫ রান করেন। শেষ দিকে নাহিদুলের ২০ ও অলক কাপালির ২৬ রানের সুবাদে নির্ধারীত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৫১ রানের পুজি পায় প্রাইম ব্যাংক। প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে বল হাতেও ২ উইকেট শিকার করেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। এই জয়ের ফলে পাঁচ জয় নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল প্রাম ব্যাংক। সমান পাঁচ জয় নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে প্রাইম দোলেশ্বর।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password