পর্তুগালে স্বাভাবিক হচ্ছে জীবনযাত্রা

পর্তুগালের জীবন ব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা ১ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দ্বিতীয় ধাপের লকডাউন শিথিল করার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

৫ এপ্রিল থেকে রাস্তার ধারে সর্বোচ্চ ২০০ বর্গমিটারের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক স্তরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সার্কেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কফি সপ ও রেস্টুরেন্ট (বহিঃপ্রাঙ্গণে প্রতি টেবিলে ৪ জন), শারীরিক স্পর্শ ছাড়া সব খেলাধুলা কার্যক্রম এবং বহিরাঙ্গণে সর্বোচ্চ ৪ জন, শরীরচর্চা কেন্দ্র, জাদুঘর, রাজপ্রাসাদ, বিভিন্ন প্রদর্শনী ইত্যাদিসহ বেশকিছু কার্যক্রম স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাই সব নাগরিককে যারা সরকারের দেয়া বিধিনিষেধ পালন করতে গিয়ে ত্যাগ স্বীকার করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে বিশ্ব যেখানে নতুন করে লকডাউন আরোপ করছে, কিন্তু আমরা স্বাভাবিক জীবনের দিকে ফিরে যাচ্ছি, যা আমাদের জন্য গৌরবের।

ব্যতিক্রম থাকছে দেশটির ১৯টি সিটি কর্পোরেশনের জন্য। কেননা সরকার নির্ধারিত মানদণ্ডে ১৪ দিনে গড়ে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে নির্ধারিত সংক্রমণ সীমা অতিক্রম করেছে বিধায় উক্ত অঞ্চলগুলোতে বর্তমান বিধিনিষেধ বজায় থাকবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশি বসবাসরত এবং পর্যটন অধ্যুষিত অঞ্চল হচ্ছে আলবুফেইরা, বেজা, লাগোয়া, ফিগোইরা দা ফজ।

প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ জনসংখ্যার দেশ পর্তুগালে ৩ এপ্রিল  ২৮০ জন করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ জন, যা বর্তমানে ইউরোপের সর্বনিম্ন করোনা সংক্রমিত দেশের মধ্যে অন্যতম।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন