দরকষাকষি করে বিক্রি হচ্ছে মানুষের শ্রম

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভার-সাতক্ষীরা মোড়ে ধান কাটার মৌসুম এলেই মানুষের শ্রম দরকষাকষির মাধ্যমে বিক্রি হয়। এবার করোনা মহামারির মধ্যেও হাটে ভিড় জমিয়েছেন শ্রমিকরা। প্রতিদিন ভোরে আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে বসে এই হাট। ভিড় করেন শ্রম ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

হাটে আসা শ্রমিকদের মধ্যে মফিজুর রহমান বলেন, ধান কাটার জন্য অনেকে শ্রমিক পায় না। সেজন্য আমরা যারা শ্রমিক রয়েছি সবাই সকালে এই হাটে উপস্থিত হই। এতে আমাদেরও কাজ খুঁজতে হয় না এবং যারা শ্রমিক নেবে তাদেরকেও বাড়তি ভোগান্তিতে পরতে হয় না।

শ্রমিকরা জানান, সাতক্ষীরার আশাশুনি, দেবহাটা, কালীগঞ্জ ও শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা এসেছেন। স্থানীয়ভাবে এই বাজারের শ্রমিকরা ‘দখিনের জোন’নামে পরিচিত। এই হাটে দরকষাকষি করে কেনাবেচা হয় মানুষের শ্রম। এই হাটে কোনো নিয়ন্ত্রক নেই। নেই কোনো খাজনা বা সমিতির ঝামেলা। নেই বাজার কমিটি।

দল বেঁধে অনেকে কাজ করে থাকেন আবার অনেকে এককভাবে কাজ করার সুযোগ পান। দৈনিক থেকে শুরু করে মাস পর্যন্ত শ্রমিকদের শ্রম কেনা যায় এই হাট থেকে। চলতি মৌসুমে শার্শা উপজেলায় ২৩ হাজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন