শারীরিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়েছেন সঙ্গী! যা দেখে বুঝবেন

টাটকা সম্পর্ক অনেক সময়ই ঝিমিয়ে পড়ে। কিন্তু কেন ঝিমিয়ে পড়ছে তার সঠিক কারণ খুঁজে পান না অনেক যুগলই। কারণ একটা সম্পর্ক জোরদার হয় তখনই যখন সঙ্গীর প্রতি আপনার টান থাকে অটুট। যে কোনও সম্পর্কে যৌনতা খুবই স্বাভাবিক একটি প্রবৃত্তি। বলা ভালো সম্পর্কে অক্সিজেনের যোগান দেয় যৌনতা। আর যখন সেই সুতোয় টান পড়ে তখন ধরে নেওয়া যেতেই পারে যে মানসিক দূরত্বও তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে থাকতে থাকতে সম্পর্কে একঘেঁয়েমি, ক্লান্তি আসা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ক্লান্তি সম্পর্ককে ভাঙনের মুখে ঠেলে দেয়।

কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই ক্লান্তি?

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এখনকার জীবনে সবার কাজের চাপ অত্যন্ত বেশি। বেশিরভাগ সময় ওখানেই চলে যায়। এরপর বাড়িতে যেটুকু সময় তাঁরা থাকছেন সেই সময়টুকুও নানা কাজ আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। ফলে যৌন আকর্ষণ কমে যাচ্ছে। অত্যধিক ক্লান্তিও এর পিছনে দায়ী। দুজনের মধ্যে একজন চাইছেন আর অন্যজনের সায় নেই। দিনের পর দিন অবহেলা, সঙ্গীকে উপেক্ষা করাই এর পিছনে দায়ী। আর তাই থেরাপিস্টরা বলছেন, নিজেদের জন্য কিছুটা করে সময় রাখুন প্রতিদিন। যৌনতার জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করুন।

কিন্তু কীভাবে বুঝবেন যে সঙ্গী আর আপনার প্রতি আকৃষ্ট নন

*এর আগে আপনারা নানা ভাবে যৌন জীবন উপভোগ করতেন। তা হতে পারে স্নানঘর কিংবা রান্নাঘর। এছাড়াও উইক এন্ডে সময় পেলে দুজনে মিলে বেরিয়ে পড়তেন। কিন্তু সঙ্গী বিছানায় ছাড়া অন্যত্র শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি নন।

*সপ্তাহে একদিনের বেশি কোনও ভাবেই যৌনতাতে আগ্রহী নন তিনি। খুব জোর করেও দেখছেন বিশেষ লাভ হচ্ছে না।

*যৌনতার জন্যে তিনি একটি নির্দিষ্ট সময়ই বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু সেই বেছে নেওয়ার মধ্যেও কোনও স্বতঃস্ফূর্ততা নেই। মনে হচ্ছে এটা একটা নিয়ম আর তিনি জোর করে তা পালন করছেন।
*সঙ্গীর তরফে নতুনত্বের কোনও আহ্বান নেই। আপনার সঙ্গে এই সম্পর্কে তিনি খুশি কিনা তাও বোঝা দায়। এমনকী প্রতিবার যৌন সম্পর্কের স্থায়িত্বও একই রকম। সেখানে কোনও রকম পরিবর্তন নেই। কেমন সম্পর্ক তিনি চাইছেন এ ব্যাপারেও কোনও কথা বলছেন না। এরকম হলে বুঝতে হবে সত্যিই কোনও সমস্যা আছে।

*সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হবার সময় অন্য কারোর কথা মনে পড়ছে? মনে হচ্ছে সঙ্গীর পরিবর্তে তাঁকে পেলেই আপনি সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন? তাহলে এই সম্পর্ক থেকে অবিলম্বে বেরিয়ে আসুন। বা প্রয়োজনে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলুন। তিনি কী চাইছেন, কোথায় সমস্যা হচ্ছে তা দুজনের পক্ষেই জানা খুব জরুরি। এরকম কিছু লক্ষণ থাকলে এখনই সতর্ক হোন। কারণ সম্পর্কে সেই আগের স্পার্ক একমাত্র চাইলে আপনারাই ফিরিয়ে আনতে পারেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন