নওগাঁর মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ী ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহন চালকরা চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন সরবরাহ পাচ্ছেন না।
অপরদিকে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন পাম্প মালিকরা। পাম্প মালিকদের দাবি, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চাহিদা মতো তেল দেওয়া যাচ্ছে না গ্রাহকদের।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে মান্দার ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘুরে গেলে দেখা যায়, বাস, পিকআপ ও মোটরসাইকেল চালকরা জ্বালানি তেল নিতে স্টেশনে ভিড় করছেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ তারা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা ও ইসরায়েলে যুদ্ধের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী ফিলিং স্টেশনের মালিকরা।
মোটরসাইকেল চালক মো: রকিবুল ইসলাম নিশান বলেন, বাইকের জন্য তেল নিতে এসে দেখি পাম্প থেকে একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে ১০০ টাকার বেশি জ্বালানি তেল দিচ্ছে না। চাহিদা মতো তেল পাইনি। আরেক মোটরসাইকেল চালক রাব্বানী বলেন, আমি বাইকের জন্য ফুল ট্যাংকি করতে এসেছি। কিন্তু পাম্প থেকে ফুল ট্যাংকি করতে দেয়নি। আমাকে মাত্র ১০০ টাকার তেল দিয়েছে৷ এ বিষয়ে দেলুয়াবাড়ী ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার আহমেদ জিসান বলেন, বর্তমানে সকাল ৮টার পর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১০০টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মতো সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকার যেন যে কোনো পরিস্থিতিতে দেশে ১-২ মাসের জন্য জ্বালানি তেল মজুত রাখে।
দেলুয়াবাড়ী ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল মান্নান মিয়া বলেন, আমাদের পাম্পে যা চাহিদা রয়েছে সেই অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাচ্ছি না। এই সপ্তাহে পেয়েছি কিন্তু সামনের সপ্তাহে কী পরিমাণ জ্বালানি পাবো সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। স্বল্প জ্বালানি দিয়েই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী না দিয়ে সীমিত পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে ১০০টাকার করে তেলে দিলেও কতো দিন এটি চলমান রাখবো তা বুঝতে পারছিনা।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন