ওয়ানডেতে ৫০ উইকেট শিকার তাসকিনের

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে যেভাবে খেলে যাচ্ছিলেন দুই লংকান ওপেনার, তাতে মনে হচ্ছিল বড় সংগ্রহ দাঁড় করাবে লংকানরা। তাসকিনের জোড়া আঘাতে মাটিতে নামল উড়ন্ত শ্রীলংকা। বাংলাদেশি বোলারদের বেদম পিটুনি দিয়ে ২৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান জমা করে ফেলে শ্রীলংকা। মোস্তাফিজ ছাড়া বাকি বোলারদের অনেকটাই দিশেহারা মনে হচ্ছিল লংকান ব্যাটসম্যানদের কাছে।

শুরুতেই আগ্রাসী শুরু হয় লঙ্কানদের। বাউন্ডারিতে ম্যাচের শুরু, তৃতীয় বলে আরেকটি। শরিফুল ইসলামের তিন বলে দুটি বাউন্ডারিতে শুরু করেন দানুশকা গুনাথিলাকা। শরিফুলের পরের ওভারে দুটি বাউন্ডারি মারেন কুসল পেরেরা।

অবশেষে ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হলেন পেসার তাসকিন। নিজের দ্বিতীয় ওভারেই চমক দেখালেন। জোড়া আঘাত হানলেন লংকান শিবিরে। ওভারের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে ফিরিয়ে দিলেন গুনাথিলাকা ও পাথুম নিশাঙ্কাকে। আর নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করলেন এ তরুণ পেসার। নিশাঙ্কাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে ওয়ানডেতে ৫০ উইকেট শিকার উদযাপন করলেন তাসকিন।

৩৯ ইনিংসে উইকেটের ফিফটি হলো তাসকিনের। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে তার চেয়ে কম ইনিংসে ৫০ উইকেট পেয়েছেন কেবল মুস্তাফিজুর রহমান (২৭) ও আব্দুর রাজ্জাক (৩২)।

৬.৪ ওভারেই দলের রান স্পর্শ করে পঞ্চাশ। ১২তম ওভারে তাসকিনের অসাধারণ এক ওভারে খেলার বাংলাদেশের পাল্লায় ঝুঁকে পড়ে। নিজের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সরাসরি বোল্ড করে দেন ৩৯ রানে দুর্দান্ত ব্যাট করে যাওয়া গুনাথিলাকাকে।  অফ স্টাম্পের বাইরের বল জায়গায় দাঁড়িয়ে মিডউইকেট দিয়ে খেলার চেষ্টায় ঠিক মতো পারেননি গুনাথিলাকা। ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে আঘাত হানে স্টাম্পে। ভাঙে ৬৮ বল স্থায়ী ৮২ রানের জুটি।

৩৩ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩৯ রান করেন গুনাথিলাকা। এর এক বল পরেই নিশাঙ্কাকে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে বন্দি করেন।  তার অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে পড়ে একটু ভেতরে ঢোকা বল কাভারে খেলতে চেয়েছিলেন নিশাঙ্কা। শট খেলায় একটু মন্থর ছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে।

 

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password