তরুণ শাইনপুকুরের কাছে হেরে গেল অভিজ্ঞ শেখ জামাল

তরুণদের নিয়ে গড়া শাইনপুকুর অভিজ্ঞ শেখ জামালকে ১০ রানে হারিয়ে এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে। মুলত বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামের ঘুর্নিতেই কুপকাত হয়েছে শেখ জামাল।  

মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে দারুণ শুরুর পরেও স্কোর বোর্ডে নির্ধারীত ২০ ওভার শেষে ১৩৭ রান জমা করে শাইনপুকুর। দলের পক্ষে সর্ব্বোচ্চ ৩৪ রান করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও রবিউল ইসলাম রবি। এছাড়া শাইনপুকুরের অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয় ২৮ ও সাব্বির হোসেন ২০ রান করেন। শেখ জামালের এবাদত হোসেন ও জিয়াউর ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

শেখ জামালের দুই ওপেনার মোহাম্মদ আশরাফুল ও সৈকত আলী যে ফর্মে আছে তাতে মনে হচ্ছিল শাইনপুকুরের দেয়া ১৩৮ রানের টার্গেট সহজেই উতরে যাবে শেখ জামাল। কিন্ত প্রথম দুই ম্যাচে ৩৮ ও ৪১ রান করা আশরাফুল প্রথম ওভারেই হাসান মুরাদের বলে ৪ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে শেখ জামাল শিবিরে প্রথম ধাক্কা লাগে। পরের ওভারেই তানভির সৈকত আলীকে ৯ রানে বিদায় করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। এরপর অবশ্য তৃতীয় উইকেটে  ৫৮ রানের জুটি গড়ে শেখ জামালকে খেলায় ফেরান নাসির হোসেন ও ইলিয়াস সানি। নবম ওভারে ২৮ রান করা নাসিরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ইফতেখার সাজ্জাদ রনি। এরপর চলে বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামের ম্যাজিক। পরের ওভারে বল করতে এসেই জোড়া আঘাত হানেন তানভীর। শেখ জামাল অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ও তানভীর হায়দার কে এক ওভারেই বিদায় করে দেন এই স্পিনার। ২ উইকেটে ৭১ থেকে ৫ উইকেটে ৭২ রানের দলে পরিণত হয় শেখ জামাল। সেখানেই মুলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় শেখ জামাল। সেই সময় তানভীর ইসলামের বোলিং ফিগার ছিল এরকম ২-২-০-৩। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভার বল করে ৮ রানে তিন উইকেট শিকার করেন তানভীর।

শেষদিকে মোহাম্মদ এনামুল (১৩ বলে ১৯ রান) শেখ জামালকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেও দলকে জয়ের বন্দরে নেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলনা। জয় থেকে ১০ রান দূরে ১২৭ রানে অলয়াউট হয়ে যায় অভিজ্ঞতা ও তারকার মিশেলে গড়া শেখ জামাল। এই জয়ের ফলে এবারের ডিপিএলে তৃতীয় ম্যাচে এসে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল শাইনপুকুর। অপরদিকে শেখ জামাল নিজদের তৃতীয় ম্যাচে দ্বিতীয় পরজয়ের স্বাদ পেল।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password