কচুরিপানার জটে খোদাদিলার সাথে মনিপুরা বাজারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

কচুরিপানার জটে খোদাদিলার সাথে মনিপুরা বাজারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

স্ট্যাফ রিপোর্টার : নরসিংদীর মেঘনায় কচুরিপানার তীব্র জটের সৃষ্টি হয়েছে। মনিপুরা খেয়াঘাটের দুই দিক দিয়ে কমপক্ষে দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্ট এই কচুরির জটের কারণে রায়পুরাধীন মনিপুরা বাজারের সাথে আলোকবালী- খোদাদিলার প্রায় ২০ হাজার লোকের যোগাযোগ অচল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ২০/২৫ দিন ধরে নদী পথে চলাচলকারী হাজার হাজার শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। লোকজন সঠিক সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছে না। ইঞ্জিন চালিত নৌকা গুলো দীর্ঘ কচুরিপানার জট কেটে পৌঁছাতে সময় লাগছে কয়েকগুণ বেশি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় এসব ভাসমান কচুরিপানা উৎস হচ্ছে মেঘনায় স্থাপিত স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অবৈধ মাছের ঘের। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে সমতল এলাকা থেকে আম , জাম গাছসহ বিভিন্ন গাছ গাছালি ডালপালা কেটে এসব ঘের সৃষ্টি করে। এর ওপর কচুরিপানা আটক করে চারদিকে দড়ি দিয়ে বেধে কচুরিপানা গুলো আটকে রাখে। পুরো বর্ষা জুড়ে তারা এসব ঘের কেটে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ ধরে বিক্রি করে। পক্ষান্তরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নদী এবং নদী পাড়ের মানুষসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।

এ ব্যাপারে শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিলা গ্রামের জনগন এ থেকে পরিত্রাণের জন্য বিকাল চারটার সময় হাজী আব্দুল মালেক মেম্বারের বাড়িতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন ।

হাজী আব্দুল মালেক মেম্বারের সভাপতিত্বে গ্রামবাসীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আবুল কাশেম মেম্বার, সফর আলী মেম্বার, ফাহীম সিদ্দীকী জয়নাল আবদীন সরকার, সাইফুল ইসলাম তারা, গোলাম মোস্তফা, মস্তফা মিয়া সেলিম মিয়াসহ এলাকার অনেকে।

বক্তারা অবৈধ ঘের মালিকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেন এবং প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password