নওগাঁ জেল কারাগারে এবারে ঈদুল ফিতরের নতুন চমক দেখালেন জেলার ও জেল সুপার

নওগাঁ জেল কারাগারে এবারে ঈদুল ফিতরের নতুন চমক দেখালেন জেলার ও জেল সুপার

নওগাঁ জেলা গারে, এবারের ঈদুল ফিতরের ঈদে নতুন চমক দেখালেন, জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার মোঃশাহরিয়ার আলম চৌধুরী। ঈদূল ফেতর মোসলমানদের একটি বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান কিন্তু বিভিন্ন পেশা জীবি মানুষ রাজনৈতিক ও বিভিন্ন কারণে কারাগারে ঈদ করতে হয়েছে।

সেখানে রাষ্ট্রের ও কারা, নিয়ম মেনে বন্ধীদের যতটুকু সম্ভব ভালো খাবারের ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং জেল খানা রঙিন বাতিদিয়ে আলোকসজ্জা ও বিভিন্ন রংএর ফেষ্টু দিয়ে জেল খানা সাজিয়েছেন যা অতীতে এমন সুন্দর ভাবে সাজানো দেখা যায়নি, জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার মোঃ শাহরিয়ার আলম চৌধুরী বলেন আইজি প্রিজনের নির্দেশনায় এমনটি করা হয়েছে।

আগামী দিনে আরও সুন্দর ভাবে জেল খানা পরিচালনা করা আমাদের মূল লক্ষ। নওগাঁ কারাগারে এবারের ঈদুল ফিতরের জামাতের নামাজ দূই ভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় ৮,৩০ মিঃ সেখানে শুদু জেলখানার অফিসার ও ষ্ঠাফদের নামাজ আদায়।২য় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, ৯,৩০ মিঃ সকল বন্ধীদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই জামাতের নামাজ পড়ান জেলখানা মসজিদের নিয়োগ কৃত ঈমাম।
জেলখানায় বর্তমান মোট বন্ধী রয়েছে মোট ১০১০ জন তার মধ্যে মহিলা বন্ধী ৪২ জন। এবারের ঈদে দুস্থ বন্ধীদের জন্য জামা প্রদান করা হয়েছে এবং মহিলা বন্ধীদের জন্য মেকাম বক্স ও মহিলা বন্ধীদের বাচ্চাদের জন্য নতুন জামা কাপড় উপহার দেওয়া হয়েছে। ঈদের মধ্যে প্রতি বৎসরের ন্যায় এবারে ও উন্নত খাবারের ব্যাবস্হা করা হয় তবে এবারের ঈদে আরও নতুন কিছু খাবারের সংযোজন করা হয়েছে। সকালের নাস্তা, মুড়ি ও পায়েস,দূপুরের খাবার হিসেবে দেওয়া হয়,গরুর গোস্তো, ছাগলের গোস্তো, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, একটা ডিম,কোমন পানীয়, পান সুপারি ও সাদা পোলাও এবং রাখতে খাবার হিসেবে দেওয়া হয়, রুই মাছের ভাজি,আলুর ঘাটি ও সাদা ভাত।

জেলখানা ষ্টাফদের জন্য দেওয়া হয় একই রংএর পাজ্ঞাবী। ঈদের পরদিন সকল বন্ধীদের নিকট আত্মীয়রা নির্দারিত তারিখ ছাড়া সাক্ষাৎ এর সুযোগ পেয়েছেন আরও পেয়েছেন,সবাই ৫ মিনিট করে বাড়িতে মোবাইলে কথা বলা এবং বাড়ির রান্না করা বিভিন্ন রকমের সাধের খাবারের সুযোগ পেয়েছে, বন্ধীদের যা অতীতে এই সুযোগ ছিল না। দর্শনার্থীদের জন্য ছিল, জেলা কারাগারের পক্ষে কোমল পানীয় ও গোলাপ ফুলের ষ্টিক এবং বাচ্চাদের জন্য ছিল চকলেট।

এবিষয়ে জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার মোঃ শাহরিয়ার আলম চৌধুরী কে জিজ্ঞেস করলে জানান ডিআইজি প্রিজনের নির্দেশনায় আমরা এমন পরিবেশনের চেষ্টা করেছি, আরও জিজ্ঞেস করা হয় অনান্য জেলার কারাগারে কি এমন আয়োজন করা হয়েছে কিনা,জেলা মোঃ শাহরিয়ার আলম চৌধুরী বলেন এমনই হওয়ার কথা তবে অন্য কোন জেলা কারাগারে কতটুকু হয়েছে তা আমার জানা নাই।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password