প্রয়োজনে লকডাউনের চিন্তা করা হবে

প্রয়োজনে লকডাউনের চিন্তা করা হবে

আজ শনিবার মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিন ও ডায়ালাইসিস ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সরকারের ১১টি গাইড লাইন মেনে চললে আমাদের লকডাউনের প্রয়োজন হবে না। প্রয়োজনে লকডাউনের চিন্তা করা হবে।

চলমান ১১ দফা বিধিনিষেধ অমান্য করলে লকডাউন দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের উর্ধ্বগতি রুখতে বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন দেওয়া হবে। জাহিদ মালেক বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গতকালের হিসাবে একদিনে চার হাজার চারশ জন সংক্রামিত হয়েছে। এ হিসাবে সংক্রমণের হার প্রায় ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।

প্রতিদিন এক থেকে তিন শতাংশ হারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আর এই হারে বাড়াটা খুবই আশংকা জনক। বর্তমানে প্রায় ১ শতাংশ লোকের আইসিও প্রয়োজন হচ্ছে। আর এই হারে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ১০ জানুয়ারি ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ ১১ দফা নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১১ দফা মেনে চলতে হবে।

এ অবস্থায় আমাদের সবাইকে মাস্ক পড়তে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সবাইকে টিকা নিতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের টিকার কোনো ঘাটতি নেই। এরই মধ্যে সোয়া ১৪ কোটি ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। আর প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রতিটি জেলা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিন ও দশ বেডের ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password