নওগাঁর মান্দায় বোরো ধানের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষকেরা

নওগাঁর মান্দায় বোরো ধানের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষকেরা

নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। এরই মধ্যে প্রায় ২০০ হেক্টরের বেশি জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। চারা তৈরির উপযুক্ত আবহাওয়া বিরাজ করায় স্বস্তিতে রয়েছেন তাঁরা।

সরাসরি গিয়ে দেখা যায় এবং কৃষকেরা বলে, দিনের বেলায় রোদ ও রাতে কম ঠান্ডা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত কুয়াশা পড়েনি, শৈত্যপ্রবাহও নেই। শীত বেশি হলে চারা গজানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই বর্তমান সময়কে উপযুক্ত মনে করে আগাম জাতের ধানের চারা তৈরিতে তাঁদের ব্যস্ত সময় কাটছে। কৃষকদের দাবি, শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে চারা হলুদ ও বিবর্ণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তখন বীজতলার পরিচর্যা করতে হিমশিম খেতে হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৯৫০ হেক্টর থেকে ১ হাজার হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি হবে। রোপণ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুল হলে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে আশপাশের উপজেলায় চারা সরবরাহ করেন কৃষকেরা। তবে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জাতির জনককে বিশেষ সম্মাননা জানাতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত জাত ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০’ উপজেলার দুইটি প্রদশর্নী প্লটে চাষ হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন বলেন, চলতি মৌসুমে ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। রোপণের বিপরীতে বীজতলা তৈরি করছেন কৃষকেরা। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত বীজতলা তৈরির উপযুক্ত আবহাওয়া বিরাজ করছে। চারা নষ্ট হয়ে যাওয়ার মত প্রতিকূল পরিবেশ নেই। শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে বীজতলা পলিথিন পেপার দিয়ে ঢেকে দিলে চারা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password