কাকরাইল গ্যারেজপট্টিকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে হবে

কাকরাইল গ্যারেজপট্টিকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে হবে

যে কোন মূল্যে কাকরাইল গ্যারেজপট্টিকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে হবে ঘোষণা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, কাকরাইলের গ্যারেজপট্টিতে তথাকথিত যুবলীগের পরিচয় দিয়ে সন্ত্রাসী মেহেদী আলম ও তার দোসররা একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলো। তারা পল্টন, মতিঝিল ও শাজানপুর এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অবৈধ চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ছিনতাইসহ নানারকম অপকর্মে লিপ্ত ছিল।

গত ২ ডিসেম্বর ২০২১ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কাকরাইলস্থ ডায়মন্ড রেস্তোরায় চাঁদাবাজি করে হোটেলের কর্মচারীদেরকে ব্যাপকভাবে মারধর করে। সেই রাতেই র‌্যাব-৩ তাদেরকে গ্রেফতার করে। তারা গ্রেফতার হলেও তাদের অন্যান্য দোসররা এখন আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে নানাভাবে হুমকি-ধামকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করছে। এ বিষয়ে ৪ ডিসেম্বর ২০২১ইং তারিখে পল্টন মডেল থানায় মতিউর রহমান নিরব একটি সাধারণ ডায়েরি করে।

যার জিডি নং- ২০০। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রাজধানীর কাকরাইলস্থ গ্যারেজ পট্টিকে সন্ত্রাস-সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করার দাবীতে আয়োজিত সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ-মাদক নির্মূল নাগরিক কমিটির মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মুলে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করেছে এবং সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী যে দলেরই হোকনা কেন তাদেরকে গ্রেফতার ও শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধ পরিকর।

ইতোমধ্যে সারাদেশে এ বিষয়ে স্পষ্ট দৃশ্যমান। তাই কাকরাইলের গ্যারেজ পট্টির বাসিন্দারাও প্রত্যাশা করেন তারাও সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরাও কালো থাবা থেকে মুক্ত হবেন। আর সরকারের আইনশৃংখলা রক্ষকারী বাহিনী দ্রত তাদেও রক্ষায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যাবসায়ীদেও হাত থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

মানববন্ধনে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ-মাদক নির্মূল নাগিরিক কমিটির আহ্বায়ক মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা'র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব মতিউর রহমান নিরব, মাসুদুর রহমান মাসুদ, জিয়াউর রহমান পারভেজ, মনির রহমান, নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী রফিক, সঞ্চিব, দুলাল, লিটন, রাজ্জাক, পলাশ, কাঞ্চন, জাহাঙ্গীর খোকন, সুমন, বেল্লাল, শাজাহান, খালেক, বিপুর, নুরু, ফখরুল, দিলিপ, লোকমান, শামীম, আনোয়ার, মনিরসহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ডায়মন্ড বিল্ডাসের সাইড অফিসের একটি ফ্ল্যাট অবৈধভাবে দখল করে সেখানে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বসবাস করতে শুরু করে এবং এলাকায় মাদক বিক্রিসহ ব্যাপক চাঁদাবাজি করে। তার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিতে এলাকার হকার থেকে শুরু করে গ্যারেজ পট্টির কেউ রেহাই পায়নি। তার বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে সকলে ভয়ে ভীতি ছিল।

তারা আরো বলেন, সন্ত্রাসী মেহেদী আলম গং গ্রেফতার হওয়ার পর তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা কাকরাইলের গ্যারেজ পট্টিতে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তার দখলকৃত অবৈধ বাড়ী নতুন করে দখল নিতে তার সহযোগীরা গ্যারেজ পট্টিতে একাধিকবার এসেছে। কিন্তু দখলকৃত অবৈধ বাড়িটি র‌্যাব কর্তৃক তালা বন্ধ করে রাখায় তারা বাড়িতে উঠতে পারেনি।

কিন্তু অবৈধ দখলকৃত ফ্ল্যাটের কোম্পানীর মালিকদের ও তাদের সদস্যদেরকে নানাভাবে ভয়-ভীতি ও মামলা-হামলা করবে বলে হুশিয়ারি দিচ্ছে। এ বিষয়ে মতিউর রহমান নিরব পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। যার ডায়েরী নং ২০০, তাং ০৪/১২/২০২১।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password