নওগাঁর আত্রাইয়ে হত্যা কাণ্ডের পর আত্মগোপনে থাকা আসামী গ্রেপ্তার

নওগাঁর আত্রাইয়ে হত্যা কাণ্ডের পর আত্মগোপনে থাকা আসামী গ্রেপ্তার

নওগাঁর আত্রাইয় উপজেলায় হত্যা কাণ্ডের পর পাশের নাটোরে আত্মগোপনে ছিলেন শফিকুল ইসলাম ওরফে ছোট ধলু (২৫) নামের এক আসামী। শনিবার (৫ মার্চ) রাত ১২টার দিকে নাটোর জেলার পিয়াদাপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তিনি আত্রাই উপজেলার জয়সাড়া (উত্তরপাড়া) গ্রামের মৃত লুৎফর শাহ এর ছেলে।

রোববার (৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার মহিষডাঙ্গা পিয়াদাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্প। এতে আরও বলা হয়, আত্রাই উপজেলার জয়সাড়া গ্রামের আব্দুস ছামাদ ও মোজাম্মেল হক তারা একই বংশের চাচাতো ভাই। বসতবাড়ির ১২ শতক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

গত বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বিকেলে মোজাম্মেল হক বিরোধপূর্ণ ওই সম্পত্তি দখল করতে গেলে আব্দুস ছামাদ ও তার লোকজন বাঁধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোডা নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আহত আব্দুস ছামাদ, গোলাম মোস্তফা, আব্দুর সবুর, বাধন সাহ, আব্দুল বারিক, বেদারুন নেছা, মোজাম্মেল হক, জিন্নাতুন মিনি ও মাজেদা বিবি গুরুত্বর আহত হলে তাদেরকে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। আহতদের মধ্যে আব্দুস ছামাদ, আব্দুস সবুর এবং বাধনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আব্দুর সবুর মারা যান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় শুক্রবার নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়।

মামলার পর ৬ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি শফিকুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া আসামি উক্ত হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় হস্থান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password