আগুনের ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে বিধ্বংস পাখি মিয়ার পরিবার

আগুন হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার।আগুন আমাদের সব কিছু দিলেও আবার অনেক কিছু নিয়েও নিচ্ছে এক নিমিষের মধ্যে।তবে এটা বলা যায় অগুন যদি কারো কাছ থেকে নেয়ে,তাহলে তার সবকিছুই নিয়ে নেয়।এক কথায় যাকে কিনা বলে পথের ফকির বানিয়ে ফেলে এখন সে ধনী হোক বা গরীব।

তেমনি এক ঘটনা ঘটেছে গতকাল ৮ই এপ্রিল প্রথম প্রহরে অর্থাৎ রাত ২টা নগাদ।টাঙ্গাইল জেলার অর্ন্তগত নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের *কাওয়াখোলা* গ্রামের মো:পাখি মিয়া ওরফে জামাই পাখির বাড়িতে।রাতেই ঘটনা স্থলে গিয়ে প্রতিবেশি ও লোক মুখে মুখে জানতে পারা যায় আগুনের সূত্রপাত হয় গোয়াল ঘরের কয়েলের আগুন থেকে।গোয়াল ঘরে মশারি টানানোর পরও কয়েল জ্বালিয়ে দিয়ে রেখেছিলেন।সেই কয়েলের আগুন মশারি তে প্রথম লাগে।তার পর আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পরে সারা বাড়িতে। তারপর কারেন্টের সাথে একত্রিত হয়ে প্রকট আকারের দাহসীকাময় পরিস্থিতিতে পরিনত হয়।

এলাকার লোকজন এগিয়ে্ এসে আগুন নেভানোর কাজে লেগে পরেন।আকাশের পরিস্থিতি ছিল হালকা স্যাতসেতে,ছিল হালকা বাতাস এবংকি থাকার ঘরে ছিল সিলিন্ডারের গ্যাসের বোতল ও ফ্রিজ।এই সামগ্রিক সকল কিছু মিলিয়ে আগুনের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করে।মানুষের মেহনত কাজে আসে অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুকূলে আসে প্রায় ৩০ থেকে ৪০মিনিট পর।মাঝখানে কিছু সময় আগুন চরম আকার ধারন করেছিল যখন কিনা সিলিন্ডারের গ্যাসের বোতল ও ফ্রিজ ব্রস্ট হয়।তার পরপরই শুরু হয় মৃদু হাওয়া।যার ফলে ঐ সময়টার পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ প্রতিকূলে।এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিস কেও জানানো হয় কিন্তু এত বড় ঘটনার পরও কোন সাড়া মেলেনি তাদের।যদিও তারা এসেছিলেন কিন্তু পার্শবর্তী গ্রাম থেকেই ফেরত যেতে হয় তাদের।তারন এই এলাকার আন্ত যোগাযোগ ব্যাবস্থাও খুবই শোচনীয়।

পার্শবর্তী গ্রামে একটি কালবার্ট রয়েছে। যার অবস্থাও থুব শোচনীয়।যেটি দিয়ে হ্যৃলোবাইক চলাচলই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার সেখানে ফায়ার সার্ভিসের এতো বড় পানি ভর্তি গাড়ি আসাটাও দুষ্কর ছিল।তাই আসার মতো ব্যাবস্থা না পেয়ে ঘুরে যেতে বাধ্য হয়।আগুনের এই ঘটনায় একটি থাকার ঘর,একটি রান্না ঘর ও একটি গোয়াল ঘর পুরে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া্ও গোয়ালে থাকা ২-৩ গরুর  মধ্যে একটি গরু পুরে ছাই-ভৎস হয়ে যায় এছাড়াও টাকা-পয়সা এক কথায় যাকে বলে সূচের অগ্রভাগ থেকে শুরু কলে শেষ পযন্ত সব গ্রাস করে নিয়েছে।প্রতিবেশিরা বলেন যে,তাদের বার বার নিষেধ করেছেন গোয়াল ঘরে কয়েল না জ্বালাতে।ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাষ এরই জের ধরে ধ্বংস হয়ে যায় তার সব কিছু।

আমি আশা করব উক্ত বিষয়টি সরকার ও স্থাণীয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে।আমরা এলাকাবাসী এবং কি দেশবাসী আশা করি, সরকার পাখি মিয়ার এই অভাবনীয় ক্ষতির বিষয়টি বিবেচণা করে তাকে আবার পুনরায় ঘুরে দাড়াতে ও এই অভাবনীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সামান্য তম অর্থিক ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা হলেও যেন দেওয়া হয়। এছাড়াও আন্ত সংযোগ সুদৃঢ় রাখতে কালবার্টটি যেন অতি সিগ্রই পুন:সংস্কার করা হয়। যেন ভবিষ্যতে কোন সমস্যা হলে সাহায্য কারী সংস্থার গাড়িগুলোতে এভাবে ফিরে যেতে না হয়।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন