মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহর কবরে খোদাই করা ‘বাংলা ভাষা’

পাকিস্তানের জাতির জনক মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ। তার একটি মাত্র মুখের কথা ‘উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শুনে আগুনের স্ফূলিঙ্গের মতো ক্ষোভ ছড়িয়ে পরেছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এখনকার বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত।

গর্জে উঠেছিল বাঙালি। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আদায় করে নিয়েছিল মাতৃভাষার সম্মান।অথচ সেই বাংলা ভাষার বিরুদ্ধাচরণকারী পাকিস্তানের ‘কায়েদে আজম’ জিন্নাহ’র কবরেই টগবগ করছে বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা।বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিতে প্রথম আপত্তিকরা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর কবরে বাংলা ভাষাতেই লেখা রয়েছে তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ।

করাচিতে অবস্থিত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সমাধিস্থল বা মাজার দেশটির অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান। সবার জন্য উন্মুক্ত এই সমাধিস্থলটি প্রতিদিন হাজার হাজার লোক পরিদর্শন করে। একজন আলেম তাদের নিয়ে ফাতেহা পাঠসহ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

‘কায়েদে আজম’ এর মাজারে ২৪ ঘণ্টাই দেওয়া হয় গার্ড অব অনার। চারমাস পর পর দেশটির সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী পালাক্রমে সার্বক্ষণিকভাবে এ দায়িত্ব পালন করে।

জিন্নাহর সমাধিটি করাচি নগরীর মধ্যস্থলে প্রায় ৬১ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। স্মৃতিসৌধটি নির্মিত ৭৫ বাই ৭৫ মিটার প্লাটফরমের উপর। এর মূল স্তম্ভটির উচ্চতা ৪৩ মিটার।

এই স্মৃতিসৌধ ঘিরে রয়েছে বিশাল একটি উদ্যান। সুউচ্চ প্রাসাদ কম থাকায় করাচির বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই মাজারে কায়েদ’ এর সাদা রঙের স্মৃতি সৌধটি নজর কাড়ে।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন