কফিনে বন্দি হয়ে দেশে ফিরলেন ১৮ রেমিট্যান্স যোদ্ধা

 

বাধ্যকজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে কয়েক মাস আগে মারা যাওয়া অন্তত আঠারো বাংলাদেশীর মরদেহ দেশে এসেছে । তিনটি ভিন্ন ফ্লাইটে মালেয়াশিয়া, সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত থেকে প্রবাসীদের মরদেহ বুধবার দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।এসময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন, ক্ষোভ জানান মরদেহ আনতে সরকারী কোন সহযোগিতা না পাওয়ায়। হয়তোবা তাদের কারোর কথা ছিলো এবার বাড়ী ফিরে স্বপ্নজয়ের, কারোর পরিকল্পনায় ছিলো শেষ বয়সের পুজি নিয়ে বাড়ী ফেরার। কিন্তু মৃতু সব হিসাব-নিকেশ বদলে দেয়।

কিছুদিন আগেও যাদের তোড়জোর ছিলো বাড়ী ফেরার, তারা বুধবার দিবাগত রাতে দেশে ফিরেন কফিনে মোড়ানো নিথর দেহ নিয়ে।স্টোক, ক্যান্সারসহ নানা রোগ বালাই আক্রান্ত হয়ে গত কয়েক মাসে মালেশিয়া, সৌদিআরব, আরব আমিরাত ও কুয়েতে মারা যাওয়া ১৮ বাংলাদেশীর মরদেহ তিনটি ফ্লাইটে দেশে এসে পৌছায়।

লকডাউন ও ফ্লাইট বন্ধ থাকায় দীঘ সময়ের পর মরদেহ স্বজনরা বুঝে পায়। সরকারী আর্থিক সহযোগিতা না থাকায় মোটা অংকের টাকা ব্যয় করে মরদেহ দেশে আনেন নিহতদের স্বজনরা। কিন্তু যাদের রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনীতি তরতর করে বাড়ছে, তাদের অন্তিমযাত্রায় সরকার পাশে না থাকায় ক্ষোভ জানান স্বজনরা। তবে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের এক কর্মী জানান, প্রত্যেক মরদেহ দাফনে সরকার ৩৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password