সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ

সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙায় ভোররাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জিঞ্জিরাম নদে কয়েকজন মিলে মাছ ধরার সময় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী কৃষিশ্রমিক সহিবুর রহমান (৪০) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এক বিবৃতিতে নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বলেন, “ বিএসএফ অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে।

জনগন কর্তৃক নির্বাচিত না হয়ে ভারতের উপর নির্ভরশীল সরকার এবং দিল্লীর অনুগ্রহ প্রত্যাশী জাতিয়তাবাদীরা সীমান্ত আগ্রাসন রুখতে ব্যর্থ। চীন, পাকিস্তান, মায়ানমার, নেপাল ও ভুটান সীমান্তে ভারত গুলি চালানোর সাহস দেখাতে ব্যর্থ হলে ও স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যবধি প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ। এই মূল্যবান জীবনহানি রুখতে ব্যর্থরা বার বার দিল্লির হাত ধরে বাংলার মসনদে আসীন হয়, যা খুবই দুঃখ জনক।

বার বার সর্বভৌমত্ব লংঘন করে বাংলাদেশে ঢুকে সাধারণ নাগরিকদের তুলে নিয়ে যায় যা আমাদের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী। ওরা আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে না।” তিনি বলেন “গরুপাচার, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে বাংলাদেশের নাগরিকদের সাথে ওপারের ভারতের চোরা কারবারীরা এবং বিএসএফ সদস্যরা জড়িত।

অথচ অন্যায় হত্যা এবং আগ্রাসনের শিকার হয় শুধু নিরীহ-নিরস্ত্র বাংলাদেশের নাগরিকরা। সীমান্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনগনের ঐক্য অত্যাবশ্যক। মার্কা ব্যবসায়ী, অর্থপাচারকারী দুটি পরিবারের রাজনীতির নামে ব্যবসা বন্ধ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা অতীব জরুরী। নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, দিল্লির অনুগত সরকার ও মেরুদন্ডহীন জাতীয়তাবাদীরা সীমান্ত হত্যা রোধ করতে পারবে না। ”

নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আরও বলেন, “৭ জানুয়ারী ফেলানী দিবসে নগরিক পরিষদ সীমান্ত আগ্রাসান বন্ধে ফেলানী হত্যার বিচারের দাবী উত্থাপন করলেও সরকার নিশ্চুপ এবং দিল্লির অনুগ্রহ প্রত্যাশী জাতিয়তাবাদীরা নির্বাক, তাই সীমান্ত আগ্রাসানে বাংলাদেশী নাগরিকের জীবনহানি এবং সার্বভৌমত্ব লংঘন বন্ধ হচ্ছেনা। তিনি ভারত কর্তৃক অবিলম্বে সীমান্ত আগ্রাসান সার্বভৌমত্বের লংঘন ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসান রোধে দেশপ্রেমিক জনগনের জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহবায়ক জানান। ”

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password