আইনানুগ ব্যবস্থা লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে

আইনানুগ ব্যবস্থা লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে

বরিশাল থেকে চলাচলকারী লঞ্চগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ এবং ধারণক্ষমতার মধ্যে যাত্রী পরিবহন না করলে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বুধবার (০৩ জুন) বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গণপরিবহনে সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের নির্দেশনা দেয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা থেকে বরিশালগামী যাত্রীবাহী লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণসহ সামাজিক দূরত্ব রক্ষাও মানা হচ্ছে না। যাত্রী পরিবহন সীমিত করার জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রয়ের জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক টিকিট কাউন্টার স্থাপন ও অনলাইনে টিকিট বিক্রয়ের ব্যবস্থা করার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিপজ্জনকভাবে যাত্রী পরিবহন করে লঞ্চ মালিকরা এই অঞ্চলের জনসাধারণের করোনা প্রাদুর্ভাবজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি করছেন। 

গণবিজ্ঞপ্তিতে লঞ্চ মালিকদের সতর্ক করা হয় এবং ধারণ ক্ষমতার মধ্যে যাত্রী পরিবহন না করলে মামলা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।   

উল্লেখ্য বরিশাল-ঢাকা রুটের সুরভী কোম্পানির লঞ্চগুলোর কেবিনের কয়েক শতাংশ টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়, এছাড়া এমভি মানামী লঞ্চের টিকিটও অনলাইনে পাওয়া যায়। এর বাইরে বেসরকারি কোনো কোম্পানির টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা অনলাইনে নেই। তবে তৃতীয় শ্রেণি বা ডেক টিকিট সব কোম্পানিই লঞ্চে সরবরাহ করে। আবার কাউন্টার বাড়ানোর কথা থাকলেও গ্রীণ লাইন ছাড়া সব কোম্পানিই লঞ্চের একাধিক কাউন্টার নেই।

এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক কিংবা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষও দায়সারা বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password