চরফ্যাশনে দিনের বেলায় চলছে বাসাবাড়ীর তালা ভেঙ্গে চুরি।

চরফ্যাশনে দিনের বেলায় চলছে বাসাবাড়ীর তালা ভেঙ্গে চুরি।
চরফ্যাশন পৌরশহরে আইন শৃংখলার চরম অবনতি হচ্ছে। দিন দুপুরে বাসাবাড়ীর আধুনিক যন্ত্র দিয়ে তালা ভেঙ্গে চলছে চুরি। পুলিশ প্রশাসনের কোন ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ পৌরবাসীর। পৌর এলাকার একাধিক সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন যাবত একটি সঙ্ঘবদ্ধ চোর চক্র দিন দুপুরে লোকসহগম কম এমন এলাকায় বাসাবাড়িতে চুরি করে আসছে। নেয়া হচ্ছে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও বিভিন্ন মালামাল। ছোট ছোট দামী মালামাল হচ্ছে তাদের মূল টার্গেট। এরই মধ্যে প্রায় ১৫ টি বাসাবাড়িতে এই চক্রটি দুর্ধর্ষ চুরি করেছে। তার মধ্যে চরফ্যাশন থানা সংলগ্ন আনোয়ার মালতিয়ার বাসা, ১নং ওয়ার্ড আলাউদ্দিন কমিশনারের বাসা, ৪নং ওয়ার্ডে সিমলা গার্মেন্টসের মালিক জাকির হোসেনের বাসা, চরফ্যাশন হাসপাতালের পশ্চিম পাশে ৪ তলা বাসাটি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য। একই সাথে তাল মিলিয়ে চরফ্যাশন পৌর এলাকায় হরহামেশাই হচ্ছে মোটর সাইকেল চুরি। সকল চুরির বিবরণ ও সিসিটিভির পুটেজ সহ থানায় মামলা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত আটক করতে পারেনি এবং এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো চোর বা চোরাই মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি। সর্বশেষ ১৬মে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুরি হয় পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের কাঁচাবাজার আড়দের উত্তর পাশে সাংবাদিক পড়ায় সিমলা গার্মেসের মালিক জাকির হোসেন এর বাসা। আধুনিক যন্ত্র দিয়ে তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ৬০হাজার শিশুদের ব্যাংক ভেঙ্গে ৩০হাজার, স্বর্ণ ৮ভরিসহ মোট ১০লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়। চরফ্যাাশন থানায় অভিযোগ করা হলে এস আই ইয়াছিন ফোর্স নিয়ে তদন্ত করেছেন। দিন রাতে পুলিশের কোন টহল নেই বলে বাসাবাড়ীর মালিকগন অভিযোগ করেন। চরফ্যাশন থানা পুলিশ ও কমিউনিউটি পুলিশ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন এই সকল চুরির ব্যপারে কোন জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছেনা বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসকল দুধর্ষ চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জানিয়েছেন চরফ্যাশন পৌরবাসী। চরফ্যাশন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মনিরুল ইসলাম মিয়া বলেন, সিমলাগার্মেসের মালিকের বাসায় চুরির ঘটনায় থানায় মামলা নেয়া হয়েছে যার নং ১৫ তারিখ ১৬ মে। আমাদের তদন্ত চলছে সকলকে সাবধান থাকতে হবে।

মন্তব্যসমূহ (০)