ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল

ছাত্রের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি, যা বললেন শিক্ষিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিক্যুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষিকা মাহাবুবা খাতুন এবং একই বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিস আফ্রিদি’র অন্তরঙ্গ স্থিরচিত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষিকার দাবী একটা মহল এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। ওই শিক্ষিকা দাবী করেন,আমি এবং আমার স্বামী (নাফিসুর রহমান) ২০১৫ সাল থেকেই পূর্ব পরিচিত। আমার স্বামী একজন ডেন্টিস্ট, উনিনিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্যই গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষিকা আরো জানান, গোলাম হোসেন মূসা নামক একটি ফেইক আইডি থেকে ফেইসবুকে এমন বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

আমাদের বিভাগে একজন শিক্ষক আছেন যিনি এই বিষয়টির সাথে জড়িত। এছাড়া বিভাগের কিছু শিক্ষার্থীও এই কুচক্রের সাথে জড়িত আছে বলেও তিনি দাবী করেছেন।বিভাগের শিক্ষককে কেন সন্দেহ করেছেন।সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবা খাতুন জানান, কিছুদিন আগে আমার সাথে ওই জৈনক শিক্ষকেরঅর্থনৈতিক একটা সম্যাসা হয়েছিল।

তিনি আমাকে বলেছিলেন যে সুদিন আসলে তিনি কাউকেই ছাড়বেন না।আমার এক ছেলে রয়েছে। তার কথা এবং আমার সম্মানবোধের কথা চিন্তা করে আমি নাফিসুর রহমানকে গত ৩/৫/১৮ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আইনজীবী তাসলিম আহম্মদ এর মাধ্যমে বিয়ে করেছি। আমার কাছে তার ডকুমেন্ট আছে, কাবিন আছে। কিন্তু কে বা কারা নাফিসের মোবাইল থেকে আমাদের পারিবারিকভাবে তোলা ছবি সংগ্রহ করে আমাকে সমাজিকভাবে ছোট করতে তা ভাইরাল করছে এবং অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ ব্যাপারে নাফিসুর রহমান বলেন, আমাদের পরিচিত কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা বিয়ে করে একই সাথে বসবাস করছি। বর্তমানে সাভারের ব্যাংক কলোনিতে এক সাথে আমাদের দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। যারা এই ষড়যন্ত্র করেছে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাদের নামে এক দুদিনের মধে থানায় জিডি করবো।শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উচিত এমন উস্কানিমূলক তথ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতি হচ্ছে।

তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উচিত এই বিষয়ে জরুরি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা।রাজশাহী’র মেয়ে মাহবুবা খাতুন সাভারে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার ৮ বছর বয়সী একটি ছেলে-সন্তান রয়েছে। নাফিসের গ্রামের বাড়িও রাজশাহী। সে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ৩য় বর্ষ (৫ম সেমিস্টার) এর শিক্ষার্থী। সে পেশাগতভাবে একজন ডেন্টিস্ট। এমন অপপ্রচারের কারণে গণ বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন