ভোলার মনপুরায় মাদ্রাসাছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিতে বাবা-মাকে পিটিয়ে জখম

ভোলার মনপুরায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিতে হানা দেয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ সময় পিতা-মাতাসহ পরিবারের সদস্যরা বাধা দেওয়ায় সংঘবদ্ধ চক্রটি বেধড়ক মারধর করে। 

এতে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা-মাতাসহ পরিবারের ৫ সদস্য গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা এলে সংঘবদ্ধ চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে ওই মাদ্রাসাছাত্রী বাদী হয়ে মনপুরা থানায় অভিযোগ দেন। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সেলিম মাঝির বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম মিঞা ও ওসি সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ওই মাদ্রাসা ছাত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দেখতে যায়।

হাসপাতালে ভর্তিকৃত আহতরা হলেন- বদিউজ্জামান দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী জেসমিন, মাদ্রাসা ছাত্রীর মা ইয়াছমিন বেগম, পিতা সেলিম মাঝি ও ভাই রাজিব ও সিয়াম।

হাসপাতালে ভর্তি মাদ্রাসাছাত্রী জেসমিন জানান,  শাহীন ও শামীম নামে দুইজন বখাটে প্রত্যেকদিন বাড়ির সামনে এসে উত্ত্যক্ত করত। সোমবার সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বাইরে আসার পর শাহীন ও শামীম তাকে জোর করে তুলে নিতে চেষ্টা করে। এ সময় চিৎকার দিলে আমার বাবা-মা ও ভাইয়েরা ঘর থেকে বের হয় এসে বাধা দেয়। এ সময় শাহীন ও শামীমের সহযোগী মনা, জাহাঙ্গীর, কালাম, ফরিদ এসে মারধর শুরু করে। পরে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তারা সবাই পালিয়ে যায়। আমিসহ আমার পিতা-মাতা, দুই ভাই মারধরে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘটনা শুনে রাতে আমি ও ইউএনও হাসপাতালে দেখতে যাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন