রফিকুল ইসলাম মাদানির নামে ডিজিটাল আইনে মামলা হয়েছে

শিশুবক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানির নামে গাজীপুরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে র‌্যাব। জেলার গাছা থানায় মামলাটি করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগ। রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে রফিকুল ইসলাম মাদানিকে নেত্রকোণা থেকে আটক করে র‌্যাব। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার রাতে মাদানীকে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে র‌্যবের মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানিয়েছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, গাছায় এক ওয়াজে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, গাছা থানাধীন বোর্ড বাজার এলাকার শীতক ফ্যাক্টরির ভেতর গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক ওয়াজ মাহফিলে প্রশাসন সম্পর্কে নানা উস্কানিমূলক মন্তব্য করে তা ইউটিউবে ছাড়েন মাদানী। এর কারণে ব্রাহ্মবাড়িয়া, চট্টগ্রামসহ বিভিন্নস্থানে ধ্বাংসাত্মক কার্যকলাপ সংঘটিত হয়।

র‌্যাব জানায়, মাদানীকে কাছ থেকে যে মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়, তাতে ‘আপত্তিকর’ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল ইসলাম মাদানীর একটি কথিত বিয়ের বিষয়েও জানতে পারে র‌্যাব। র‍্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালের শেষের দিকে তিনি তার এক আত্মীয়কে গোপনে কলেমা পড়ে বিয়ে করেন। তাদের এই বিয়ের কোনো কাবিননামা করা হয়নি। দুই পরিবারের কেউই এই বিয়ের কথা জানতেন না।

র‌্যাবের ভাষ্য, মামুনুল হকের রিসোর্ট-কাণ্ডের পর ভীত হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে রফিকুল ইসলাম মাদানী তার মা ও পরিবারের স্বজনদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ফুলপুরের রহিমগঞ্জে ওই নারীর বাড়িতে যান। কিন্তু মাদানীকে পছন্দ না হওয়ায় ওই নারীর বাবা বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন