দুবাইতে হবে পাকিস্তান সফরের ফয়সালা.?

আইসিসি সভায় যোগ দিতে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এখন দুবাইতে। সঙ্গে আছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনও। পদাধিকার বলে খুব স্বাভাবিকভাবেই সেখানে থাকবেন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানিও।

আগে যাই ঘটুক, যত প্রস্তাব-পাল্টা প্রস্তাবই আসুক না কেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখার পর, বিসিবি নীতিগতভাবে পাকিস্তান সফরে রাজি হলেও, সেটা শুধুই সপ্তাহখানেকের জন্য। সেটিও শুধু টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে, দুই টেস্টের সিরিজের জন্য নয়।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গত রোববার বোর্ড পরিচালকদের সঙ্গে সভাশেষে জোর গলায় জানিয়েছেন, 'আমরা যত কম সময়ের জন্য পারা যায়, পাকিস্তান যেতে চাই। সেটা টেস্ট নয়, শুধু টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে।'

পিসিবিও অনড় নিজেদের অবস্থানে। তারা চায় যেকোনো মূল্য বাংলাদেশ দুই টেস্ট খেলতে পাকিস্তানে আসুক। দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর পেন্ডুলামের মতো দুলছে। এ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে কি? তা নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার শেষ নেই ক্রিকেট অনুরাগীদের।

এদিকে পাকিস্তান সফরের জট খোলার একটা নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে আইসিসির সভার মাধ্যমে। কারণ দুবাইতে আইসিসির সভায় অবশ্যই দেখা হবে নাজমুল হাসান পাপন ও এহসান মানির। সভার বাইরে নিশ্চয়ই তারা একসঙ্গে বসে বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফরে যাওয়া-না যাওয়া নিয়ে কথা বলবেন। সে আলোচনায় হয়তো একটা ফয়সালাও হয়ে যেতে পারে।

তবে ফয়সালা যাই হোক, সেটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইচ্ছেতেই হবে। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজই হোক কিংবা এক টেস্ট আর এক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্যই হোক। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে বিসিবি স্থির করে ফেলেছে, পাকিস্তান সফর হবে সর্বোচ্চ ৭-৮ দিনের।

টি-টোয়েন্টি না টেস্ট?- সেটা বড় কথা নয়, এই ৭-৮ দিনের মধ্যে যা যা আয়োজন সম্ভব, তাই খেলতে রাজি হবে বিসিবি। নাজমুল হাসান পাপনের এই প্রস্তাবে যদি এহসান মানি রাজি হন, তাহলেই কেবল বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর হবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে ২০ জানুয়ারি করাচির উদ্দেশ্যে রওনা হবে টাইগাররা।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন