মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত, দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে নিহত প্রবাসী আলমগীরের পরিবারের আকুতি

মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত, দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে নিহত প্রবাসী আলমগীরের পরিবারের আকুতি

লিবিয়ায় অপহরণের পর নিহত নওগাঁর মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ গ্রামের প্রবাসী শ্রমিক আলমগীর হোসেনের (৪৫) মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার।

নিহত আলমগীর হোসেন দীর্ঘ সাত বছর ধরে লিবিয়ায় কর্মরত ছিলেন। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী হিসেবে তিনি স্ত্রী, সন্তান ও অন্যান্য স্বজনদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন করতেন। তার উপার্জনের ওপরই নির্ভরশীল ছিল পুরো পরিবার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ ২০২৬ লিবিয়ার ত্রিপোলীর তাজুরা এলাকায় কর্মরত অবস্থায় আলমগীর হোসেন অপহরণের শিকার হন। দীর্ঘ সময় ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি জিম্মিদের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছায়। এ সংবাদে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্বজনরা জানান, আলমগীরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের সদস্যদের শেষবারের মতো তাকে দেখার সুযোগ করে দেওয়া হোক। একই সঙ্গে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, “আলমগীর ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসা। তাকে হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক।” এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহলও নিহত প্রবাসীর পরিবারের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বর্তমানে নুরুল্লাবাদ গ্রামে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী মরহুম আলমগীর হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password