সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত দেশের সব জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষাটি পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ১০টায় হওয়ার কথা থাকলেও, গত রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে সময় পরিবর্তন করে বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা জরুরি নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও প্রার্থীদের অবশ্যই অন্তত এক ঘণ্টা আগে অর্থাৎ বেলা ২টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে, এরপর আর কোনো প্রার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষায় জালিয়াতি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। এমনকি তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট ব্যবহার করে প্রার্থীদের কান পরীক্ষা করা হতে পারে। কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ বা যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্স বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র এবং মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন না করতে প্রার্থীদের সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
এবারের নিয়োগে দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। সেই হিসেবে প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন