বানভাসি মানুষের হাহাকার ছুঁয়েছে জয়া আহসানের প্রাণবিক হৃদয়

বানভাসি মানুষের হাহাকার ছুঁয়েছে জয়া আহসানের প্রাণবিক হৃদয়

বানভাসি মানুষের হাহাকার ছুঁয়েছে দুই বাংলার অভিনেত্রী জয়া আহসানের প্রাণবিক হৃদয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন জয়া আহসান। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারি বর্ষণে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বন্যার্তদের উদ্ধারে শুক্রবারই মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী।

পরিস্থিতি ক্রমে ভয়াবহ হয়ে পড়ায় উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও। এ তৎপরতায় যুক্ত হয়েছে বিমানবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার ও কোস্ট গার্ডের দুটি ক্রুজ। সিলেট-সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নাড়া দিয়েছে সারাদেশের মানুষকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাহায্যের আর্তি জানাচ্ছেন অনেকে। দেশের ভয়াবহ এ বন্যা পরিস্থিতি নাড়া দিয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকেও।

সিলেট-সুনামগঞ্জ ডুবে যাচ্ছে বন্যায়, ভেসে যাচ্ছে স্রোতে। সড়ক তো বটেই, বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় গোটা দেশ থেকেই প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব অঞ্চলের মানুষ ও জীবন। জয়া বলেন, ‘সিলেট-সুনামগঞ্জের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির ছবি ও ভিডিও দেখে শিউরে উঠছি। দেশের একটি বিভাগের প্রায় ৮০ শতাংশ ডুবে যাওয়ার মতো বন্যা এর আগে বাংলাদেশে হয়নি। এই পরিস্থিতিতে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে সকলের জন্য প্রার্থনা করছি, শিগগিরই প্রকৃতির এই ভয়াবহতা কেটে যাক, সিলেট ও সুনামগঞ্জের সকল মানুষ, পশুপাখি সুরক্ষিত থাকুক।

জয়া আহসান এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার লক্ষ্যে আহ্বান জানিয়েছেন সবার প্রতি। বলছেন, ‘প্রশাসনের সাথে সাথে আমরাও যেন সাধ্যমতো তাদের পাশে থাকতে পারি, সেই প্রচেষ্টা করতে হবে। দেশের সকলেই এগিয়ে আসুন এবং সকলে মিলে একসাথে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি যেন কাটিয়ে উঠতে পারি এই প্রার্থনা করি।’

এদিকে জয়ার মন সিলেট অঞ্চলে বানভাসি মানুষ ও প্রাণীর কাছে পড়ে থাকলেও তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন জীবনানন্দ দাশের স্ত্রী লাবণ্য প্রভা চরিত্র নিয়ে। ২৪ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন ছবি ‘ঝরা পালক’। যেখানে কবি চরিত্রে অভিনয় করছেন কলকাতার রাজনীতিক-অভিনেতা ব্রাত্য বসু ও তার স্ত্রীর চরিত্রে জয়া আহসান।

মন্তব্যসমূহ (০)