সর্বস্তরে বয়স্ক ভাতা চালু করা খুব প্রয়োজন

ফরিদপুর শহরের কুঠিবাড়ী কমলাপুরের শেখ জামাল স্টেডিয়ামের পাশের একটি ঝুঁপড়ি ঘরে কোনো রকম বসবাস করেন শান্তি খানম। নাম “শান্তি” হলেও তাঁর জীবনে শান্তি কথাটা যেন বড্ড বেশি বেমানান। জন্ম থেকেই দুঃখ-কষ্টে নিমজ্জিত সে। কত বছর হলো স্বামী হারা সংসার। আপনজন বলতেও তেমন কেউ নেই। তাইতো বেঁচে থাকার স্বপ্নটাও আজকাল বড় বেশি ক্ষীণ হয়ে গেছে। তার ভাষ্য, পৃথিবীতে শান্তি বলে কোনো কথা নেই। শান্তিটা লেখা হয়েছে শুধু পয়সাওয়ালাদের জন্য। গরীব হয়ে জন্ম গ্রহণ করাটাই হলো সবচেয়ে বড় পাপ।

তাঁর ভাষ্য , “হুনেছি কত মানুষ বয়স্ক ভাতা পায়। এত বয়স হলো আমিতো এট্টা কার্ড পেলাম না-রে বাজান। এট্টা কার্ড করে দে-না আমারে, খেয়ে বাঁচি! কত মানসের কাছে গেছি এট্টা কার্ডের লাইগা, কেউ দেয়না-রে বাজান। এহন আর কারো কাছে যাইনা। কারণ, কেউ কতা দিয়ে কতা রাহেনা।”

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মাসুম রেজা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আমাদের দ্বিতীয় ধাপের যে ঘরগুলো আসছে, সেখানে আমরা তার মতো অসহায় ও হতদরিদ্রদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে পারবো এবং পাশাপাশি ওনার যদি খাবার-দাবারের কোনো সংকট থাকে সেটিও আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করা হবে।

এমনই দরিদ্রতায় দিন কাটাচ্ছে শান্তি খানমের মতো হাজারো মানুষ। বিশেষ করে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে অসহায় এই বৃদ্ধরা। খুব শীঘ্রই প্রশাসনের উচিত তাদের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করা।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password