ঈদে মেহেদি কেনার আগে হতে হবে সতর্ক

ঈদ অপূর্ণ থেকে যায় যদি হাত মেহেদির রঙে রাঙা না হয়। বিশেষ করে চাঁদরাত হাতে মেহেদী লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ের নারী ও শিশুরা।  তাই রমজানের শেষ মুহূর্তে এসে সবাই মেহেদি কেনার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দেয়। তবে হাতের কাছে যেই সেই মেহেদি পেলেই কম মূল্যে কিনবেন না। এতে মারাত্মক বিপদ হতে পারে।

বাজারে নকল ও ভেজাল অনেক টিউব মেহেদি বেচা কেনা হয়। এসবের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক মেহেদির লেশমাত্র থাকে না, বরং বিষাক্ত নানা রাসায়নিক রং দিয়ে এই মেহেদি তৈরি করে বাজারজাত করা হয়। এগুলোর মধ্যে এসিড জাতীয় ক্ষতিকর উপাদান থাকে, যা মানুষের ত্বক ঝলসে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।  তাই মেহেদি কেনার আগে ভালোভাবে জাচাই করে কিনতে হবে । তবে বাজারের সব মেহেদি ব্র্যান্ডই যে বিষাক্ত বা ক্ষতিকর তা ঢালাওভাবে বলা যাবে না।

আসুন জেনে নিন মেহেদি ব্যবহারে কিছু সতর্কতাঃ-

> মেহেদি দেয়ার পর অনেকে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে থাকেন যা কখনোই করবেন না। সাবানের ক্ষারীয় উপাদান মেহেদির রঙ ফিকে করে দেয়।

> ওঅ্যাক্সিং মেহেদি দেওয়ার আগে ওঅ্যাক্সিং করাবেন না। ওঅ্যাক্সিং করার ফলে আপনার ত্বক মসৃণ হয়ে যায়। ফলে মেহেদি রং ভালোভাবে বসে না এবং রঙ গাঢ় হয় না। 

> ফ্রিজে রাখা মেহেদি ব্যবহারের আগে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিন। তারপর হাতে লাগান।

> মেহেদি দেয়ার পূর্বে খুব বেশি পানি বা পানিজাতীয় খাবার খাবেন না। হালকা বা আবছা আলোর মধ্যে মেহেদি দেবেন না। ভালো মেহেদি ডিজাইনের জন্য পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজন। 

> লেবুতে যাদের এলার্জি তারা অনেক সময় সরিষার তেল ব্যবহার করেন মেহেদি রঙ গাঢ় করার জন্য। তেল ব্যবহারে হাতের শুষ্কতা অনেকটাই কমে যায়। তবে তেল ব্যবহারের পূর্বে এর মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

যেকোনো মেহেদি ব্যবহারের আগে অল্প পরিমাণে হাতে অথবা কানের পিছনে ব্যবহার করুন। এতে অ্যালার্জি হলে জ্বালা পোড়া করবে বা চুলকাবে। এমন হলে ওই মেহেদি ব্যবহার করবেন না।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password