আরও কঠিন বিপদ আসছে

ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ থেকে মার্চ, প্রায় তিন মাস। চীন থেকে শুরু হয়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ১৮৯টি দেশে। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে তিন লাখ ২২ হাজার ৫৭২ জন। মৃতের সংখ্যা দিয়ে ঠেকেছে ১৩ হাজার ৭৪৬-এ।

আক্রান্ত দেশের তালিকায় চীন এখনও শীর্ষে রয়েছে। তবে গত কয়েক দিনে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা এক অংকের ঘরে গিয়ে ঠেকেছে, তাও নিয়মিত নয়। দেশটিতে স্থানীয়ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা এখন নেই বললেই চলে। নতুন করে আক্রান্তের তালিকায় যাদের নাম আসছে তারা সবাই বিদেশ থেকে আসা। অর্থাৎ বিদেশ থেকেই তারা করোনাভাইরাস দেহে বহন করে নিয়ে চীনে প্রবেশ করেছে।

এই মুহূর্তে তালিকায় সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আছে ইতালি। দেশটি ভাইরাসে মৃতের সংখ্যার দিক থেকে চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই এখানে লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭৮ জন। আর মারা গেছেন চার হাজার ৮২৫ জন। মৃতের সংখ্যার তালিকায় এরপরই আছে স্পেন। ইতালির মতোই এখানে দ্রুত আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।

দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৬০৩।মারা গেছেন এক হাজার ৭৫৬ জন। ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে তিন হাজার ১০৭। ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে এখন শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এক দিনের ব্যবধানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৩২ জন।

সেই হিসাবে দেশটিতে ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মারা গেছে ৩৮৮ জন। ইরান, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্যের অবস্থাও সংকটময়। একই অবস্থা ইন্দোনেশিয়ার। এই দেশগুলোতে ঘন্টায় ঘন্টায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।

শনিবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘সামনে কঠিন দিন আসছে। আমাদের মানসিক ও আবেগের জায়গায় প্রস্তুত থাকতে হবে। আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত আমাদের কঠিন, অত্যন্ত কঠিন হতে হবে। সব জায়গাতেই ঝুঁকি রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন