আইন সংশোধনের মাধ্যমে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শনী বন্ধ চায় এনএসইএফ

বর্তমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫’ আইনে তামাক জাতীয় দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচার পুরোপুরি নিষেধ। তবে বিদ্যমান আইনে বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শনী বন্ধে সুনির্দিষ্ট কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। আর এ সুযোগে তামাক কোম্পানীগুলো বিক্রয়কেন্দ্রে তাদের পণ্যের প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রকারন্তরে পণ্যের প্রসার ঘটাচ্ছে। আর এজন্য বর্তমান আইনের সংশোধন চান জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশন (এনএসইএফ)।

৯ জুন বুধবার রাজধানীর শ্যামলীতে জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সাথে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের এক যৌথ মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ দাবি জানান। জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক এম এ গনি, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক মোঃ মোখলেছুর রহমান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক এম এ গনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে আইনী সংশোধনের মাধ্যমে বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্য প্রদর্শন ও খুচরা বিক্রয় বন্ধ করার সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের বলেন, দেশে সরকারী হিসেবে ৮০ লক্ষ দোকান কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। ফলে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের কারণে এই সমস্ত কর্মচারীরাও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির বিষয়টি এড়াতে পারেন না। উপরন্তু বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শন ও সিঙ্গেল স্টিক সিগারেট বা বিড়ির বিক্রি বন্ধ করা গেলে তামাকের ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আর এজন্য আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করারও জোর দাবি জানাচ্ছি।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password