নদী ভাঙ্গন রোধে নেই কোন ব্যবস্থা

নদী ভাঙ্গন রোধে নেই কোন ব্যবস্থা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়ন। প্রতিদিন নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিস্তৃর্ণ হচ্ছে এই এলাকা। এরই মধ্যে ফসলী জমি, মাছের ঘের, বসত ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। গত কয়েক বছরে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে কয়েক কিলোমিটার ভূমি। মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে , চরবালুয়া, গুচ্ছগ্রাম, চরফকিরাসহ প্রায় ১৫টি গ্রাম। স্থানীয়রা মনে করছে এভাবে নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে  চরএলাহী ইউনিয়ন বিলীন হয়ে যাবে।


এবারের বর্ষার মৌসূমে বামনীয়া নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

চরএলাহী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড পুরো, ১ ও ৫নং ওয়ার্ডের এক-তৃতীয়াংশ নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে ক্রমেই কোম্পানীগঞ্জের মানচিত্র ছোট হয়ে আসছে। এ সকল এলাকায় উপজেলার দরিদ্র কৃষকদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বল ফসলী জমি, মাছের ঘের, মুরগীর ফার্ম হারিয়ে পথে বসেছে শত শত কৃষক ও খামারী।

ইতিমধ্যে পূর্ব চরলেংটা মৌজার বেশ কয়েকটি মসজিদ, কিল্লা, সাইক্লোন সেন্টার, চরলেংটা সরকারি প্রাইমারী স্কুল, মাদ্রাসা, দোকান-পাট নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দরিদ্র পরিবারগুলো মাথাগুজার একমাত্র সম্বল বসত ভিটি হারিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন সরকারি ভবনে আশ্রয় নিচ্ছে। তাদের শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ সহ আশ্রয়ের একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেড়ী বাঁধের নিচ অথবা মানুষের বাগানে ছোট ছোট কুড়ে ঘর নির্মাণ করে আশ্রয় নিচ্ছে।

সরকার নদীর ভাঙ্গনের দ্রত ব্যবস্থা না নিলে পুরো চরএলাহী ইউনিয়ন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password