মসজিদের ধান ভাগ্নে চুরি করায় মামাকে কুপিয়ে হত্যা

মসজিদের ধান ভাগ্নে চুরি করায় মামাকে কুপিয়ে হত্যা

মসজিদের ধান চুরি করা নিয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় কোব্বাস আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের খয়রা মাটিকাটা গ্রামে প্রকাশ্যেই এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত কোব্বাস আলী ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।

মৌগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-আমিন বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, স্থানীয় মসজিদ থেকে কয়েক দিন আগে ২০ কেজি ধান চুরি হয়। এর পর গ্রামবাসী নিশ্চিত হন যে কোব্বাস আলীর ভাগ্নে সাদ্দাম হোসেন (২০) ধানগুলো চুরি করেছেন। এ নিয়ে উত্তেজনা চলছিল।

শনিবার রাত ৮টার দিকে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কোব্বাস আলীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে উভয়পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কোব্বাস আলী ও তার দুই ছেলে আহত হন। সংঘর্ষে মুসল্লিদের পক্ষেরও চার-পাঁচজন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোব্বাস আলীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম জানান, খবর পেয়ে এলাকায় পুলিশ গেছে। এর পর পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে গুরুতর আহত কয়েকজনকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

মসজিদের ধান চুরি করা নিয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় কোব্বাস আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের খয়রা মাটিকাটা গ্রামে প্রকাশ্যেই এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত কোব্বাস আলী ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।

মৌগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল-আমিন বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, স্থানীয় মসজিদ থেকে কয়েক দিন আগে ২০ কেজি ধান চুরি হয়। এর পর গ্রামবাসী নিশ্চিত হন যে কোব্বাস আলীর ভাগ্নে সাদ্দাম হোসেন (২০) ধানগুলো চুরি করেছেন। এ নিয়ে উত্তেজনা চলছিল।

শনিবার রাত ৮টার দিকে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কোব্বাস আলীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে উভয়পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কোব্বাস আলী ও তার দুই ছেলে আহত হন। সংঘর্ষে মুসল্লিদের পক্ষেরও চার-পাঁচজন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কোব্বাস আলীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম জানান, খবর পেয়ে এলাকায় পুলিশ গেছে। এর পর পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে গুরুতর আহত কয়েকজনকে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password