ঈদ যাত্রার শেষ দিনেও সড়কপথে ভোগান্তির সীমা নেই

ঈদ যাত্রার শেষ দিনেও সড়কপথে ভোগান্তির সীমা নেই
Crickex Sign Up

রোববার (১০ জুলাই) সারাদেশে ঈদ-উল-আযহা পালিত হবে। ঈদের দিনটি পরিবারের সাথে কাটানোর উদ্দেশ্যে আজ শনিবারই ঢাকা ছাড়ছেন বহু মানুষ। তবে ঈদ যাত্রার শেষ দিনে এসেও সড়কপথে ভোগান্তির কোনো সীমা থাকছে না। যানজট তো আছেই, তার ওপর গুনতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া।

রাজধানীর মহাখালীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এই বাড়তি ভাড়ার চিত্র। ৩০০-৪০০ টাকার ভাড়া ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত নেয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। একই অবস্থা রাজধানীর প্রায় সব রুটেই। বেশি ভাড়া নিয়ে চরম অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে বাসচালক ও শ্রমিকদের দাবি, যাত্রীর সংখ্যা কম থাকায় আসন ফাঁকা অবস্থাতেই পৌঁছাতে হচ্ছে গন্তব্যে।

তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আশানুরূপ পদক্ষেপও দেখা যায়নি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। যানজটেও নাজেহাল যাত্রীরা, এরওপর বাস সঙ্কট ভোগান্তিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। এদিকে, ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়েও চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।

শুক্রবার (৮ জুলাই) নির্দিষ্ট সময়ের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর অনেক ট্রেন ছেড়ে যায়। বাসের সঙ্কটের চাপও পড়ে ট্রেনের ওপর। ফলে কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ট্রেন থামলেই হাজার হাজার মানুষ ট্রেনে ওঠার প্রতিযোগিতায় নামেন। অনেকে আগাম টিকিট কেটেও ভিড়ের কারণে ট্রেনে উঠতে পারেননি।

যাত্রীচাপে একটি ট্রেনের যন্ত্রাংশও ভেঙে যায়। ঈদ যাত্রার এই ভোড়ান্তি প্রতিবারের। ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষদের দুর্ভোগও একই থাকে। তবে এবার ঈদের আগেই পদ্মা সেতু খুলে দেয়ায় অন্যবারের তুলনায় ভোগান্তি লাঘব হয়েছে অনেকাংশে। ফেরির অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে না যাত্রীদের। এতে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করছেন দক্ষিণবঙ্গের মানুষ।

মন্তব্যসমূহ (০)