সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ

সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ

আজ ১৪ নভেম্বর ২০২১ (রোববার) সকালে আধিপত্য প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ খান ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামসুদ্দীন এক বিবৃতিতে বলেন, “গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং সীমান্তে বাংলাদেশী কয়েকজন নাগরিককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে লাশ নিয়ে যায় এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকে। অথচ রাষ্ট্র, সরকার, তথাকথিত সিভিল সোসাইটি, টকশো’র তথাকথিত দেশপ্রেমিকরা নিশ্চুপ।

যা খুবই হত্যাশাব্যঞ্জক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ফেলানী হত্যার সুষ্ঠু বিচার না হলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না।” আধিপত্য প্রতিরোধ আন্দোলন নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ও দিল্লির প্রতি আনুগত্যই দেশের নাগরিক হত্যার মূল কারণ। বিবেকবানরা যখন চুপ থাকে, রাষ্ট্র তখন দায়িত্বহীন হয়ে পড়ে। সীমান্ত হত্যার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের নির্লিপ্ত ও নিশ্চুপ থাকা সন্দেহজনক।

এতে প্রমাণ হয় তারা এদেশে থেকে দিল্লির আনুগত্য করে। মাঝে মাঝে শোনা যায় দিল্লির শুধু অনুগত নয় বেতনভোগীরাও এদেশে মিডিয়াতে টকশো করে বেড়ায়। সীমান্ত হত্যা, পানির আগ্রাসন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, নির্বাচনে ভারতীয় হস্তক্ষেপ এবং উহাদের ভূমিকায় এই অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, সুব্রামনিয়াম স্বামী—মনোহর পারিকর—অমিত শাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা—সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বারবার সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছে।

বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ সম্প্রতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা—সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে মানচিত্র প্রকাশ করেছে যাতে ভারতের মানচিত্রে বাংলাদেশকে অধিভুক্ত দেখানো হয়েছে। সরকার নিশ্চুপ কোন প্রতিবাদ নেই। অথচ ভারত নেহেরু ডকট্রিন বাস্তবায়ন করে মহাভারত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে আমাদের স্বাধীনতা ভুলুন্ঠিত হবে। জাতিকে এখনি সজাগ হয়ে অস্তিত্ব রক্ষা করতে হবে।

আধিপত্য প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বলেন, “ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরকারের বাধা, হামলা—মামলার ফলে সরকার দিল্লীর অনুগত বলে প্রতীয়মান হওয়ায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের সুদৃঢ় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

ঘাতক মোদীর আগমনের প্রতিবাদে আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া জাতীয় বীরদের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। ঐ আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া মাওলানা মামুনুল হকসহ দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি।”

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password