বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্প অনুমোদনে আনন্দ উল্লাস

বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্প অনুমোদনে আনন্দ উল্লাস

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনুমোদনের প্রায় তিন বছর পর পরামর্শক নিয়োগের মাধ্যমে সব বাধা দূর হওয়ায় বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত বড় ধরনের ওই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হবে-এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।

বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র নেতৃবৃন্দ বলছেন, বহু প্রতিক্ষিত বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে বগুড়াসহ উত্তরের ১১টি জেলার যোগাযোগ সহজ হবে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নতি হবে। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে ২০১৮ সালের ৩০অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক-এর সভায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৩ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা ঋণ দিতেও সম্মত হয় ভারত। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানান, নকশা চুড়ান্ত হওয়ার পরই দরপত্র আহবান করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। বগুড়ায় রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের আওতায় বগুড়া শহরের পুরান বগুড়া তিনমাথা রেলগেটের পশ্চিমে দু’টি রেল লাইন জেলার শাহাজানপুর উপজেলার রাণীরহাট ও শেরপুর উপজেলা সদর হয়ে সিরাজগঞ্জের দিকে যাবে।

ডুয়েল গেজের ওই ২টি রেল লাইনের একটি বগুড়া রেল স্টেশন থেকে এবং অপরটি কাহালুর দিক থেকে আসবে। দুই জেলা সীমানার মধ্য দিয়ে নির্মিত ৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে ৫টি নতুন স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি অনুমোদনের আগে সীমানা নির্ধারণী পিলারও পুঁতে দিয়ে গেছে। মোহাম্মদ কাসেম নামে অপর এক যুবক জানান, জংশন করা হলে এই এলাকায় নতুন একটি শহর গড়ে উঠবে।

যেখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বগুড়ায় রেলওয়ের সহকারি নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, প্রকল্পের সব কাজই সদর দপ্তর থেকে করা হচ্ছে। আমরা যতদূর জেনেছি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রথমে পুরো প্রকল্প এলাকায় সমীক্ষা চালাবেন এবং পরে তারা নকশা চূড়ান্ত করবেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password