নওগাঁর চৌবাড়িয়া শেষ হাটে জমেছে গরু বেচা-কেনা

নওগাঁর চৌবাড়িয়া শেষ হাটে জমেছে গরু বেচা-কেনা

নওগাঁর মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া শেষ হাটে জমেছে পশুহাটে মাঝারি গরু বেচা-কেনা। প্রত্যেক হাটেই ব্যাপক পশুর আমদানি হয়েছে। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে পছন্দের গরু কিনছেন। বিক্রেতারাও কাছাকাছি দাম হলেই ছাড়ছেন তাদের পছন্দের গরু। তবে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।

এদিকে হাটে প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে ভ্রাম্যমাণ ভ্যাটেনারি টিম কাজ করছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ এ টিমে পাঁচ-সাতজন উপ-সহকারী প্রাণী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রয়েছে। যেখানে ফ্রিতে পশুর স্বাস্থ্যসেবা ও প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এমন উদ্যোগে কোরবানিদাতারা উপকৃত হচ্ছেন। হাটে আসা দেলুয়াবাড়ির বিদুৎ সোনার (হান্নান) বলেন, কোরবানি উপলক্ষে পশুর হাটগুলো জমতে শুরু করেছে। আর মাত্র ১দিন পরই ঈদ। পছন্দ করে যে যার মতো গরু কিনছেন।

এ হাটে দাম সাধ্যের মধ্যেই আছে। মাঝারি গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে। চককানু গ্রামের গরু বিক্রেতা আফছার আলী বলেন, গত কয়েকহাটের চেয়ে এহাটে গরু বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে গরুর দাম অনেকটাই বেশি আছে। তবে মানুষ বড় গরু কিনতে চাচ্ছে না। স্বল্প দামের মধ্যে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু কিনার আগ্রহ বেশি। মান্দা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত ডা. শায়লা শারমিন বলেন, গত দুই বছর করোনাভাইরাসের কারণে হাটে তেমন পশুর আমদানি দেখা যায়নি। তবে এবার প্রচুর পরিমাণ পশু হাটে আমদানি হয়েছে এবং বিক্রিও হচ্ছে। এ উপজেলা পাঁচজন সদস্য করে দুটি ভ্যাটেনারি টিম রয়েছে। ভ্যাটেনারি এ টিমের মাধ্যমে ফ্রিতে পশুর স্বাস্থ্যসেবা ও প্রেসনেন্সি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এতে করে কোরবানিদাতারা স্বাস্থ্যসম্মত ও কোরবানি যোগ্য পশু কিনতে পারছেন। কোরবানিদাতারা আগ্রহ সহকারে পশু পরীক্ষা করে নিচ্ছেন।

হাট কমিটির সুজন আহমেদ বলেন, নওগাঁ জেলার সবচাইতে বড় পশুর হাট এই চৌবাড়িয়া। আমরা কমিটির সকল সদস্যরা চোখকান খোলা রেখে হাট পরিচালনা করছি। আমাদের সাথে থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা আছে। হাটে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে এরকম কোন ঘটনা আমরা ঘটতে দিবনা।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password