৬ ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে মুনিয়ার বাসা থেকে পুলিশ

দেশের বহুল আলোচিত গঠনা মোসরাত জাহান মুনিয়া নামে এক কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে। দিন যত যাচ্ছে তার মৃত্যুর রস্যের জট খুলছে। ২৬ এপ্রিল সোমবার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সেই ফ্ল্যাট থেকে ৬টি ডায়েরি পাওয়া কথা জানিয়েছে পুলিশ। সেগুলো যাচাইবাছাই করছে পুলিশ।

এদিকে ওই তরুণীর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে কলেজছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করার পরই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, ওই তরুণীর মৃহদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে তার মোবাইলসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উদ্ধারের সঙ্গে ৬টি ডায়েরি পাওয়া যায়। এসব ডায়েরিতে কী লিখা আছে তা যাচাই করা হচ্ছে। সব আলামত সংগ্রহ এবং যাচাই বাচাই করে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পুলিশ কর্মকর্তা সুদীপ কুমার আরও  বলেন, ওই ফ্ল্যাটে তরুণী একা থাকার কথা বলা হলেও কে কে আসা যাওয়ার মধ্যে থাকত, সে জন্য ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ডায়েরির সাথে সেগুলো যাচাই চলছে। মুনিয়ার মৃত্যু কী আত্মহত্যা?  তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

উপকমিশনার সুদীপ বলেন, আমরা অপেক্ষা করছি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য। আপাতত হ্যাংগিং মনে হলেও প্রতিবেদন থেকে জানা যাবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই তদন্তের গতি নির্ধারণ হবে। এখন আমরা এভিডেন্স কালেকশন করছি। এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মুনিয়ার লাশ কুমিল্লায় নিয়ে মঙ্গলবারই দাফন করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ, মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তার পরিবার। আর মুনিয়া এখানে একা থাকত বলে জানিয়ে পুলিশ। এর আগে সোমবার সন্ধ্যার পর গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন