ইসলামী অনুশাসনের মধ্যেই রয়েছে করোনা স্বাস্থ্যবিধি

শহরের মোহনপুর জামে মসজিদে জুমার খুৎবায় আল্লামা মোস্তাফিজুর রহমান আজহারী বলেছেন- আমরা আগে ডাক্তারের দিকে দৌড়াই, অথচ ইসলামের দিকে দৌড়াই না। আমরা ডাক্তারের উপর নির্ভরশীল হতে পছন্দ করি, আল কোরআনের উপর নির্ভরশীল হতে আগ্রহী হই না। ইসলাম সাড়ে ১৪শ’ বছর আগে যে মহৌষধ নির্ধারণ করে দিয়েছে সেটা এখন আমরা ডাক্তারের মাধ্যমে হজম করার চেষ্টা করছি।

ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া দোষের কিছু না, তবে ইসলাম আগে, ডাক্তার পরে, এই নীতি আমাদেরকে মানতে হবে। তবেই মহামারীসহ সকল বালামসিবত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।গতকাল জুমার খুৎবায় মোস্তাফিজুর রহমান আজহারী আরও বলেন- ইসলামের নির্দেশ হচ্ছে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। নামাজ পড়তে অযু করতে হয়। পবিত্র থাকতে হয়। করোনা থেকে মুক্তি পেতে এখন ডাক্তাররা বলছেন- দৈনিক অন্তত ৫ বার হাত মুখ ধুইলে করোনা থেকে বাচা সম্ভব।

এই কথা আমরা ডাক্তারদের কাছ থেকে শুনে কেন মানব, কোরআন হাদিসের কথা থেকে কেন আমরা মানব না? চিকিৎসকরা বলছেন- করোনা থেকে বাচতে বাহিরে গেলে নাক মুখ ঢেকে রাখতে হবে। এই কথা ডাক্তারদের কাছ থেকে শুনে মহিলারা মাস্ক পড়া শুরু করে দিয়েছেন। অথচ সাড়ে ১৪শ’ বছর আগেই ইসলাম নাক মুখ ঢেকে মহিলাদেরকে বের হতে নির্দেশ দিয়েছে। ডাক্তারগণ করোনা থেকে বাচতে সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

অথচ ইসলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অঙ্গ হিসাবে ঘোষনা করেছে সাড়ে ১৪শ’ বছর আগে। ডাক্তারদের পরামর্শে যদি কোনো নারী মুখ ঢেকে বাহির হয়, কোনো পুরুষ বার বার হাত মুখ ধৌত করে তাহলে সে ইসলামের বিধি বিধান মানল না, ডাক্তারকেই প্রাধান্য দিল। আর যদি কোনো নারী ইসলামের নির্দেশনা মেনে নাক মুখ ঢেকে বের হয়, সকলে হাত মুখ বারবার ধৌত করার বদলে অযুই করে নেয় তাহলে তার ইসলামও মানা হল, স্বাস্থ্যবিধিও মানা হল। তাতে সওয়াবও অর্জন করা হল। তিনি করোনা ভাইরাস থেকে বিশ্ব মুসলিমকে রক্ষার জন্য করোনার কারণে পবিত্র হারামাইন শরিফ এর দরজা যাতে বন্ধ না হয় বিশ্বের লাখ লাখ মসজিদের দরজা যাতে বন্ধ না হয় সে জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন