ধেয়ে আসছে মারণ ঝড় হ্যারিকেন ‘‌সালি’‌

একের পর এক ঝড়ে ক্রমে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ছে আমেরিকা। আমেরিকার উপকূলে অংশে বর্ষাকালীন ঝড় হিসাবে একের পর এক হ্যারিকেন আছড়ে পড়ছে। কয়েকদিন আগেই সেখানে আছড়ে পড়ে হাইসেন। তার আগে ফ্লোরিডা উপকূলে আছড়ে পড়ে ঝড় লরা। এবার ধেয়ে আসছে ঝড় সালি। ম্যাক্সিকো উত্তর মধ্য উপকূলে ও আমেরিকার একটি অংশে এটির প্রভাব পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। U.S. National Hurricane Center (NHC)–এর পক্ষ থেকে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মিয়ামির কেন্দ্রীক আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোমবার রাতের মধ্যেই এটি ভয়ঙ্কর হ্যারিকেনের আকার নেবে। উত্তর উপকূল দিয়ে ঝড়ের কেন্দ্র চলে যাওয়ার আগে এটির আরও শক্তিবৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। একমাসের মধ্যে দুটি এত বড় মাপের ঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে এই এলাকায়। আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটির গতিবেগ থাকতে পারে ১৩৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

আপাতত গভীর নিম্নচাপের মারণ রূপ নিয়ে সাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে এই মৌসুমী ঝড়। আমেরিকান হ্যারিকেন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি এস পর্যায়ের হ্যারিকেন হিসাবে প্রবল দাপটের সঙ্গে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। মিসিসিপি ও লিওসিয়ানিয়ার বাসিন্দাদের অনেককেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকিদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, তাঁরা যেন সরে যান। লরার ছায়া এখনও কাটেনি। এখনও ভাঙা বাড়ি সাফ করছেন সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই এসে পড়েছে এই ঝড়।

লরার কারণে বিদ্যুৎ সংযোগে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তারপর থেকে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি কাজ করছে। কিন্তু এখনও সে কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। গ্যাস ও তেল উৎপাদক সংস্থাগুলির কাজ হঠাৎই এখন বন্ধ করতে হবে এই ঝড়ের জন্য। মিসিসিপি নদীর মুখে ১১৫ মাইল দক্ষিণ পূর্বে সোমবার সকাল সাতটার সময় অবস্থান করছিল ঝড়টি। এটি যত এগিয়ে আসবে, ততই সাগরে উপচে জল ঢুকে পড়বে স্থলভাগে। কম করে ৮ থেকে ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত জলভাগের উচ্চতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০)


লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন