ভারত থেকে ফিরেছে করোনা আক্রান্ত রোগী

করোনা সংক্রমণ রোধে ২ সাপ্তাহে জন্য বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভারত থেকে যেনো কেউ না ঢুকতে বাংলাদেশে সেই জন্য কঠোর নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে সিমান্তে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী আসা-যাওয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বিশেষ অনুমতি নিয়ে দুদেশের আটকে পড়া যাত্রীরা দেশে ফিরছেন।

ভারত থেকে যাতে করোনার ভেরিয়েন্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ভারতের সঙ্গে সীমান্ত পথে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বেনাপোলের ওপারে আটকেপড়া বাংলাদেশিরা দূতাবাসের অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বিশেষ ব্যবস্থায়।

গত তিন দিনে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগীসহ ৫১০ জন বাংলাদেশি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ১০৯ জন ভারতীয় নাগরিক ফিরে গেছে তাদের দেশে।ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেনাপোলের ঘন-জনবসতি এলাকার ৭টি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত তিনজন। ভারতে গিয়ে করোনা পজিটিভ হন তারা। তবে নতুন করে কোনো পাসপোর্টযাত্রী  যাতায়াত করছেন না।

চিকিৎসা শেষে হাতে খরচের টাকা না থাকায় ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে দুঃসময় পার করছেন বলে অভিযোগ সায়েম নামে এক যাত্রীর। তবে সরকারি নির্দেশনা মানতে তাদের বাধ্য হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। 

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা বেনাপোল বন্দর এলাকার সাতটি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হচ্ছে। এছাড়া ফেরত আসা তিন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ যাত্রীকে যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় আটকে পড়া ৫১০ জন যাত্রী ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন। ভারতীয় নাগরিক ফিরেছেন ৬৭ জন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টধারী যাত্রী নতুন করে ভারতে যায়নি এবং ভারত থেকেও আসেনি।

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন