দেশজুড়েরাজশাহী

৩০ লাখ মানুষের ৩৫ চিকিৎসক

চার বছর আগে সিরাজগঞ্জে জেনারেল হাসপাতাল একশ’ থেকে আড়াইশ’ শয্যায় উন্নীত করার পাশাপাশি গড়ে তোলা হয় আধুনিক অবকাঠামো। কিন্তু এখনো একশ’ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে হাসপাতালটি। রয়েছে চিকিৎসক, কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন হাসপাতালটিতে দ্রুত শূন্য পদে জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।

২০১৪ সালে জেলার প্রায় ৩০ লাখ মানুষের সেবার পরিধি বাড়াতে সিরাজগঞ্জ জেলা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানো হয়। তবে বাড়ানো হয়নি জনবল। পুরনো একশ’ শয্যার লোকবল নিয়েই চলছে চিকিৎসার কার্যক্রম। চিকিৎসক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মচারীর সংকটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম।

জেলা এই হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করতে আসা কয়েকজন অভিযোগ জানিয়ে বলেন, সরকারিভাবে যে সুবিধাগুলো এই হাসপাতালে পাওয়ার কথা তা আমরা পাচ্ছি না। লোকবল তুলনামূলকভাবে অনেক কম এবং সেবার মানও খুব খারাপ।হাসপাতালের মোট ৫৮ চিকিৎসক পদের মধ্যে এখনও শূন্য ২৩ টি পদ। এ প্রসঙ্গে কয়েকজন চিকিৎসক বলেন, প্রতিদিন প্রচুর রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য আসে। কিন্তু লোকবল এবং চিকিৎসক সংকটের কারণে অতিরিক্ত খাটা সত্ত্বেও তাদেরকে মানসম্পন্ন সেবা প্রদান করা সম্ভব হয় না।

সম্প্রতি এই হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানান, খুব দ্রুত চল্লিশ হাজার লোকবল নিয়োগ করা হবে সারা বাংলাদেশে। তাদের একটি অংশ এখানেও থাকবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন প্রায় এক হাজার লোক এখানে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে আসে। আর শয্যাসংখ্যা আড়াইশ’তে উন্নীত করা হলেও রোগী থাকে তিনশ’র ওপর।

Close