খুলনা

যশোর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবু বক্কর আবুর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, যশোর প্রতিনিধি:- যশোর জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি ও ৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক বার নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আবু বকর আবু’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৯ নভেম্বর।

প্রিয় পাঠক আমাদের পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

গণমানুষের নেতা আবু বকর আবু’র ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, একাদশ সংসদ নির্বাচনে আবু বকর আবু যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ঢাকায় অবস্থানকালে তাকে গুম করে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর হত্যা করা হয়। এরপর তার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে পাওয়া যায়।

মরহুম আবু বকর আবু ১৯৫২ সালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাগদাহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বদর উদ্দীন সরদার ও মাতা সকিনা খাতুন। বাগদাহ-মজিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালট থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৬৮ সালে কেশবপুর পাইলট স্কুল থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৭২ সালে কেশবপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশের পর যশোর এম.এম কলেজে ভর্তি হন।কিন্তু রাজনৈতিক কারনে যশোর থেকে পুনরায় কেশবপুর ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হয়ে ১৯৭৪ সালে তিনি বি.এ পাশ করেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী এবং ১২ জুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। ১৯৯১ সালেও তিনি বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।

গণমানুষের নেতা আবু বকর আবু বর্তমান যশোর জেলা বিএনপি এর সহ-সভাপতি ছিলেন। রাজনীতি ও সামাজিক কাজের কারণে জীবনে বিয়েও করেননি ৪ বাবের নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আবু বকর আবু।

আবু বকর আবু বিএনপি এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পর্যায়ক্রমে থানা বিএনপি এর সাংগঠনিক সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এবং তারপর একটানা ২০ বছর সফলভাবে সভাপতি এর দায়িত্ব পালন করেন।

তার আগে ন্যাপ ভাসানী এর থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আবু বকর আবু। তিনি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি এর সাথে যুক্ত ছিলেন।

শিক্ষাক্ষেত্রেও ছিল আবু বকর আবুর বিশেষ অবদান। তিনি কেশবপুর ডিগ্রি কলেজের কার্যনির্বাহী কমিটির পরপর ৩ বার সদস্য ছিলেন। এছাড়া কেশবপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের ২ বার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, হিজল ডাঙ্গা মাসুদ মেমরিয়াল ডিগ্রি কলেজের ৩ বার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

কেশবপুর উপজেলার কোমরপোল আইডিয়াল কলেজের শিক্ষানুরাগী সদস্য ছিলেন। এছাড়া আঠন্ডা এস এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কেশবপুর উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এই মহান শিক্ষানুরাগী নেতা।

প্রিয় পাঠক আপনার মতামত জানান

এ বিভাগের আরো খবর

Close
Close