ভারত

বিয়ের পর স্ত্রীকে কলেজে ভর্তি, প্রেমিকের হাতে স্বামী খুন!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- কালভার্টের নিচ থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতের পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটায়। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

প্রিয় পাঠক আমাদের পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

গতকাল সোমবার সকালে সুতাহাটার বাড়ির পাশের একটি কালভার্টের নিচ থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। নিহত যুবকের নাম সৌরভ দলুই। তিনি সুতাহাটার হরিণভাষার বাসিন্দা। তিনি সদ্য এক মেয়েসন্তানের জনক।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন সৌরভ। রাতেও বাড়ি ফেরেননি তিনি। স্ত্রী সুদীপ্তা তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে গতকাল সকালে এলাকারই একটি কালভার্টের নিচে উদ্ধার হয় সৌরভের দেহ। রক্তাক্ত অবস্থায় সৌরভের দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তারাই নিহতের বাড়িতে খবর দেন। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করেই সৌরভকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

ওই ঘটনায় নিহত সৌরভের বাবা পুত্রবধূর ‘প্রেমিক’ অতনু মাইতির বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোগ করেছেন। ছয়জনের নামে সুতাহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে সুতাহাটা থানার পুলিশ।

জানা যায়, তিন বছর আগে পাশের গ্রাম সাহাপুরের বাসিন্দা সুদীপ্তার সঙ্গে বিয়ে হয় সৌরভ দলুইয়ের। বিয়ের পর বেশ কিছুদিন সুখেই চলছিল তাদের সংসার। বিয়ের পরও পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক ছিলেন স্ত্রী সুদীপ্তা। মেধাবী সুদীপ্তার ফলাফলও ভালো ছিল। তাই সৌরভ তাকে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ, সৌরভকে খুনের পেছনে হাত রয়েছে পুত্রবধূর প্রেমিক অতনু মাইতির। বিয়ের আগে থেকেই তাদের পুত্রবধূকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতেন অনতু। বিয়ের পর সুদীপ্তা কলেজে যাওয়া শুরু করতেই ফের তাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন অভিযুক্ত প্রেমিক অতনু মাইতি।

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের খানিক টানাপোড়েনও শুরু হয়। একপর্যায়ে অনতুর উত্ত্যত্তের কারণে শেষে স্ত্রীকে কলেজে আনা-নেওয়া করেন সৌরভ। এ কারণেই সেই প্রেমিক অনতু খুন করেন সৌরভকে।

প্রিয় পাঠক আপনার মতামত জানান

এ বিভাগের আরো খবর

Close
Close