বাংলাদেশ

বাজারে বিক্রি করা পাস্তুরিত দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে!

বাজারে যেসব কোম্পানি পাস্তুরিত তরল দুধ বিক্রি করছে তার অধিকাংশ দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়।আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ও বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।মিল্ক ভিটা, আড়ং, ফার্ম ফ্রেশসহ আরও বেশ কয়েকটির কোম্পানির দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পাওয়া গেছে।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে আসে।অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, আমরা এসব কোম্পানি উৎপাদিত পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত কাঁচা দুধ পরীক্ষা করে তাতে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক পেয়েছি।তিনি বলেন, আমরা যে অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছি সেগুলো মানুষের ব্যবহারের জন্য। মানুষ ও প্রাণির অ্যান্টিবায়োটিক সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক প্রাণির ওপর ব্যবহার বন্ধ করা দরকার।অধ্যাপক ফারুক বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক যে গরুকে খাওয়ানো হলো ওই গরুর দুধ ও মাংস আমরা খেলে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে। মানুষকে বাঁচাতে আপনারা এখনই গরুকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো বন্ধ করুন। তিনি বলেন, আমাদের পরীক্ষায় পাস্তুরিত দুধের সবকটি নমুনাতে মানবচিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়াও অপাস্তুরিত দুধের একটি নমুনাতে ফরমালিন পাওয়া মিলেছে। আর অন্য একটিতে পাওয়া গেছে ডিটারজেন্ট। এসব দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।সংবাদ সম্মেলনে দুধ ছাড়াও ফ্রুট ড্রিংকস, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল, ঘি, গুঁড়া মশলা, শুকনা মরিচ, হলুদ, পাম অয়েল নিয়েও পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রিয় পাঠক আমাদের পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন
প্রিয় পাঠক আপনার মতামত জানান

এ বিভাগের আরো খবর

Close