বাংলাদেশ

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সৈয়দ আশরাফ

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীরমুক্তিযোদ্ধা, বর্তমান সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।আজ রোববার বাদ আছর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।কবরকে ঘিরে শ্রদ্ধা আর হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা নিয়ে উৎসুক জনতা ভিড় করেন। আব্দুল মোতালেবসহ বেশ কয়েকজন গোরখোদক মিলে কবর খোঁড়ার কাজ শেষ করেন। আশেপাশে শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যানার টাঙিয়ে রাখা হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার পক্ষে।এর আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম জানাজা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সম্পন্ন হয়। এরপর হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জে নেয়া হয় তার মরদেহ। সেখানকার শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।সবশেষ ময়মনসিংহ আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে তার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ফের ঢাকায় আনা হয়।

বিডিটাইপ

বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ মারা যান। শনিবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হয়। এরপর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেয়া হয়। সেখানে প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন আত্মীয়-স্বজন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে রাতেই মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ইসলাম ৭১ সালে মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন।আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ সবশেষ জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আশরাফ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পাঁচবার।সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

এ বিভাগের আরো খবর

Close